পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানান, ধীরেন্দ্র সূত্রধর বানিয়াগ্রাম এলাকার মধ্যে সবচেয়ে প্রবীণ ব্যক্তি ছিলেন। কয়েক বছর আগে তাঁর বয়স ১০০ বছর পেরোয়। বয়সের কারণে চোখে কম দেখতেন। তবে হাঁটাচলা অনেকটা স্বাভাবিক ছিল। সকাল সাতটার মধ্যে তিনি ঘুম থেকে উঠে যান। ঘুম থেকে উঠেই ধীরে ধীরে হেঁটে পাশের গ্রাম গাংকুলপাড়ায় চলে আসেন। সেখানে দোকান থেকে নাশতা ও চা খেয়ে বাড়ি ফেরেন। আজ সকাল আটটার দিকে তিনি হেঁটে আসছিলেন। আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বিপরীত দিক আসা একটি মোটরসাইকেল তাঁকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ছিটকে দূরে পড়ে গিয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। স্থানীয় লোকজন ধীরেন্দ্র সূত্রধরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে নেওয়ার পর চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তাঁরা জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।

ধীরেন্দ্র সূত্রধর বানিয়াগ্রাম এলাকার মধ্যে সবচেয়ে প্রবীণ ব্যক্তি ছিলেন। কয়েক বছর আগে তাঁর বয়স ১০০ বছর পেরোয়। বয়সের কারণে চোখে কম দেখতেন। তবে হাঁটাচলা অনেকটা স্বাভাবিক ছিল।

ধীরেন্দ্র সূত্রধরের ছেলে মানিক সূত্রধর বলেন, ‘আমার বাবা বয়স কয়েক বছর আগে ১০০ পেরোয়। অনেক চেষ্টা করেও তাঁকে ঘরে আটকে রাখতে পারতাম না। আমাদের সবার আগে তিনি ঘুম থেকে উঠতেন। ঘুম থেকে ওঠার পর সরাসরি চলে যেতেন চা-নাশতার দোকানে। কারও সাহায্য ছাড়াই ধীরে ধীরে হেঁটে দোকানে যেতেন। নাশতা শেষে আবার একাই বাড়ি ফিরতেন।’

কটিয়াদী হাইওয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ তৌফিকুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনার পর মোটরসাইকেলআরোহী পালিয়ে গেছেন। এ কারণে অভিযুক্তকে এখনো শনাক্ত কিংবা আটক করা যায়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন