বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দৌলতদিয়ার লঞ্চ ও ফেরিঘাটে অবস্থান করে দেখা যায়, ৫ নম্বর ঘাটে ফেরিতে উঠার অপেক্ষায় বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের দীর্ঘ সারি। যাত্রীদের কারও হাতে লাগেজ, ব্যাগ।

কুষ্টিয়ার মীরপুর থেকে ঢাকাগামী প্রশান্ত সরকার বলেন, ঈদের পরদিন সাধারণত সড়কে যানজট থাকে না। ঘাটেও ভিড় কম থাকে, এ কথা ভেবে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করেছেন। এতে যানজটের ভোগান্তি অন্তত কম পোহাতে হচ্ছে।

আবার কঠোর বিধিনিষেধের খবর নিশ্চিত হয়েই ঢাকামুখী হয়েছেন ফরিদপুর শহরের আলীপুরের শামসুল হক। তিনি একটি কলেজের শিক্ষক। বলেন, গ্রামের বাড়িতে কিছু জরুরি কাজ অসম্পূর্ণ রেখেই ঢাকামুখী হয়েছেন। বিধিনিষেধ শুরু হলে ঢাকায় ফিরতে ঝামেলা হতে পারে ভেবে পরিবার নিয়েই রওনা দিয়েছেন।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া কার্যালয়ের সহকারী ব্যবস্থাপক খোরশেদ আলম বলেন, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে ছোট-বড় মিলে ১৬টি ফেরি চলাচল করছে। শুক্রবার থেকে বিধিনিষেধের ঘোষণায় সকাল থেকেই মানুষ ঢাকামুখী হয়েছে। দূরপাল্লার পরিবহনের চেয়ে প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাসের সংখ্যাই বেশি।

default-image

পাটুরিয়া

ঈদের দ্বিতীয় দিনেও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাটে অনেক যাত্রীকে ঢাকা ছাড়তে দেখা গেছে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঘাটে ভিড় করা মানুষের মধ্যে ছিলেন শ্রমজীবীরাও। তাঁরা কঠোর বিধিনিষেধের কারণে ঢাকা ছেড়ে গ্রামে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন।

রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডের একটি জুতার দোকানের কর্মচারী আলমগীর হোসেন (৪০) সকাল ১০টার দিকে একটি বাসে করে পাটুরিয়া ঘাটে আসেন। ফেরির টিকিট কাউন্টারের সামনে আলমগীর বলেন, শুক্রবার থেকে দোকানপাট বন্ধ। ঢাকায় বেকার বসে থাকার চেয়ে গ্রামের বাড়িতে থাকলে খরচ কম। তাই ফরিদপুরে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছেন।

পাটুরিয়ায় দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম জানান, বেলা একটার দিকে পাটুরিয়া প্রান্তে অর্ধশত যাত্রীবাহী বাস ও শতাধিক ব্যক্তিগত গাড়ি নদী পারাপারের অপেক্ষায় ছিল। তবে অপেক্ষার ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই এসব যানবাহন ফেরিতে ওঠে।

যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বাড়লে প্রয়োজনে সব ফেরি চালানোর কথা জানিয়েছেন বিআইডব্লিউটিসির উপমহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) জিল্লুর রহমান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন