বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দীপু মনি বলেন, ‘আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ৯০ ভাগের বেশি শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট জমা পাচ্ছি। তার মানে, তারা ঝরে পড়েনি। এখনো অনেক মা–বাবা তাঁদের সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন। যার ফলে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার এখনো শতভাগ নয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে গেলে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি আরও বৃদ্ধি পাবে।’

দীপু মনি বলেন, ‘এখনো অনেক মা–বাবা তাঁদের সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন। যার ফলে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার এখনো শতভাগ নয়।’

দীপু মনি আরও বলেন, ‘আমরা এখনো ঠিক বলতে পারছি না ঠিক কতসংখ্যক শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে। তবে কিছু হয়তো ঝরে পড়েছে। যাঁদের একটু আর্থিক সমস্যা রয়েছে, তাঁরা ছেলেমেয়েদের কাজে লাগিয়ে দিয়েছেন। বিশেষ করে, মেয়েদের ক্ষেত্রে হয়তো কারও কারও বাল্যবিবাহ হয়ে গেছে। যদিও বাল্যবিবাহ হওয়া উচিত ছিল না। সেই মেয়েরা যেখানেই থাকুক, তারা যেন স্কুলে ফিরে আসে। তাদের পড়াশোনার সুযোগ তৈরি করে দিতে শিক্ষকদের বিশেষভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

জেলা পুলিশের আয়োজনে অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছির উদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটোয়ারীসহ বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি, জেলা প্রশাসন, পুলিশ বিভাগের কর্মকর্তা ও কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন