default-image

কনের বয়স ১৩ বছর, আর বরের বয়স ১৭। দুজনই নাবালক হওয়ার পরও তাঁদের অভিভাবকেরা আয়োজন করেছিল বিয়ের অনুষ্ঠানের। গোপন সূত্রে সংবাদ পেয়ে এই বিয়ে বন্ধে এগিয়ে আসেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। গতকাল সোমবার রাতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তিনি ওই দুই অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোর-কিশোরীকে বাল্যবিবাহের হাত থেকে রক্ষা করেন।

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি পৌরসভা এলাকায় গতকাল সোমবার রাতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের এ অভিযান হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কনে স্থানীয় একটি উচ্চবিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ছে। কিশোর বরটি কাঠমিস্ত্রির কাজ করে। কনের বাড়িতে বিয়ের আয়োজন চলছিল। খবর পেয়ে বেলকুচি ইউএনও মো. আনিসুর রহমান সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করেন। বর-কনে দুজনই অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তিনি বিয়েটি বন্ধ করে দেন। এ সময় বরের বাবা ও কনের মাকে বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে অবহিত করা হলে তাঁরা তাঁদের ভুল বুঝতে পারেন। সন্তানেরা প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা বিয়ে দেবেন না বলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে মুচলেকা দেন।

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি পৌরসভা এলাকায় গতকাল সোমবার রাতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের এ অভিযান হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কনে স্থানীয় একটি উচ্চবিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ছে। কিশোর বরটি কাঠমিস্ত্রির কাজ করে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতকে সহায়তা করেন পেশকার মো. হাফিজ উদ্দিন ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা। ইউএনও মো. আনিসুর রহমান আজ মঙ্গলবার দুপুরে প্রথম আলোকে বলেন, বাল্যবিবাহমুক্ত উপজেলা হিসেবে বেলকুচিকে গড়ে তুলতে কাজ করা হচ্ছে। এ জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0