বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পদ্মায় পানি বাড়ার শুরুতে উপজেলার কাঞ্চনপুর, গোপীনাথপুর, লেছড়াগঞ্জ, আজিমনগর ও ধুলশুড়া ইউনিয়নে নদীর ভাঙন শুরু হয়। চার দিনে এসব ইউনিয়নের অর্ধশত বসতভিটা বিলীন হয়েছে। নদীভাঙনকবলিত পরিবারগুলো অসহায় হয়ে পড়েছে। কেউ কেউ প্রতিবেশীদের বাড়িতে এবং অন্যের জমিতে ঘর তুলে আশ্রয় নিয়েছেন।

লেছড়াগঞ্জ ইউনিয়নের সিলিমপুর গ্রামের জলিল মিয়া নদীভাঙনে বসতভিটা হারিয়েছেন। গতকাল দুপুরে ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে করে ঘরের টিনের চাল, বেড়াসহ বাড়ির অন্যান্য মালামাল অন্যত্র নিয়ে যেতে দেখা যায় তাঁকে।

গতকাল সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কাঞ্চনপুর ও গোপীনাথপুর ইউনিয়নে নদীতীরবর্তী এলাকায় গিয়ে নদীভাঙনের দৃশ্য চোখে পড়ে। এ সময় নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কায় কয়েকটি পরিবারকে বাড়িঘর অন্যত্র সরিয়ে নিতে দেখা যায়।

গত রোববার নদীতে বসতভিটা হারিয়েছে কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের বৌদ্দকান্দি গ্রামের ওকিল শিকদারসহ আরও দুজনের পরিবার। ওকিল শিকদার বলেন, ‘এক যুগে আবাদি জমি যা ছিল নদীতে সব নিয়্যা গ্যাছে। আশ্রয়ের শেষ সম্বলটুকু আছিল এই বসতবাড়ি। তা–ও পদ্মায় নিয়ে গেল।’

কাঞ্চনপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, ‘ভাঙনকবলিত পদ্মাপারের মানুষ ত্রাণ চায় না। আমরা স্থায়ী বাঁধ চাই।’

মানিকগঞ্জের পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাঈন উদ্দিন বলেন, ভাঙন রোধে গোপীনাথপুরের উজানপাড়া এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে বালুভর্তি জিওব্যাগ ফেলা হচ্ছে। বাহাদুরপুর থেকে উজানে চার কিলোমিটার এলাকায় নদীর তীর রক্ষায় স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন