বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ নিয়ে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা রেজাউল করিম চৌধুরীর কাছে তথ্য এলে বনরুইটি উদ্ধারের পরিকল্পনা হয়। সে অনুযায়ী প্রথমে ক্রেতা সেজে প্রাণীটির সন্ধান করেন সোহেল শ্যাম। অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর বন বিভাগকে জানালে বনরুইটি উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার অভিযানে উপস্থিত ছিলেন বন্য প্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক শ্যামল মিত্র, রেঞ্জ কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম প্রমুখ।

সোহেল শ্যাম বলেন, বনরুই বর্তমানে খুবই বিরল প্রজাতির। ইংরেজিতে প্রাণীটিকে ‘চায়নিজ পেনগলিন’ বলা হয়। রুই মাছের মতো সারা শরীরে আঁশ থাকায় এটি ‘বনরুই’ নামে পরিচিত। বনরুই গহিন বনে ১০-১৫ ফুট গভীর সুড়ঙ্গ করে বসবাস করে। এরা নিশাচর ও লাজুক প্রকৃতির।

বন্য প্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম বলেন, উদ্ধারের পর প্রাণীটি লাউয়াছড়া রেসকিউ সেন্টারে রাখা হয়েছে। পর্যবেক্ষণ শেষে দ্রুততম সময়ের মধ্যেই অবমুক্ত করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন