বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
মামলায় জুনেল আহমেদকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। রহিমপুর ইউপিতে সাংসদ শহীদের ভাই ইফতেখার আহমেদ চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন।

গতকাল রাত সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার মুন্সীবাজারে সাংসদ শহীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। সাংসদের দাবি, বিদ্রোহী প্রার্থী জুনেল আহমেদ তরফদারের সমর্থকেরা এ হামলা চালিয়েছেন। এ ঘটনায় গতকাল রাতেই ইফতেখার আহমেদের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট ইমতিয়াজ আহমেদ বাদী হয়ে ৩৫ জনকে আসামি করে কমলগঞ্জ থানায় মামলা করেছেন। মামলায় জুনেল আহমেদকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। রহিমপুর ইউপিতে সাংসদ শহীদের ভাই ইফতেখার আহমেদ চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন।

ইমতিয়াজ আহমেদের ভাষ্য, গতকাল রাত সাড়ে নয়টার দিকে সাংসদ শহীদ ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে মুন্সীবাজারে তাঁর ভাই ইফতেখার আহমেদের নির্বাচনী কার্যালয়ে যান। কিন্তু ওই সময় ইফতেখার নির্বাচনী কার্যালয়ে না থাকায় তাঁর ভাই সেখানে বসে অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় জুনেল আহমেদের নির্দেশে তাঁর সমর্থকেরা অতর্কিতে সাংসদের ওপর হামলা চালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় তাঁর ভাইয়ের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) ইমাম হোসেন, গানম্যানসহ পাঁচজন গুরুতর আহত হন। তবে মামলার প্রধান আসামি জুনেল আহমেদ এখনো প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও তাঁকে গ্রেপ্তার করছে না বলে তিনি দাবি করেন।

কমলগঞ্জ থানার পরিদর্শক সোহেল রানা বলেন, সাংসদ এম এ শহীদের ওপর হামলার ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি জুনেল আহমেদসহ অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

মামলা ও গ্রেপ্তারের বিষয়ে জুনেল আহমেদ বলেন, তিনি হামলার সঙ্গে জড়িত নন। তিনি হামলার নির্দেশও দেননি। তাই তিনি নির্বাচনী এলাকাতেই অবস্থান করছেন এবং গ্রেপ্তার আতঙ্কে নির্বাচনী মাঠ ত্যাগ করবেন না।

জুনেল আহমেদের দাবি, সাংসদ শহীদ মুন্সীবাজারে ছোট ভাইয়ের নির্বাচনী কার্যালয়ে বসে বক্তব্য দিয়ে আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। সাংসদের উসকানিতে এর আগে তাঁর ওপর হামলা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি হামলার সঙ্গে জড়িত নন। তিনি হামলার নির্দেশও দেননি। তাই তিনি নির্বাচনী এলাকাতেই অবস্থান করছেন এবং গ্রেপ্তার আতঙ্কে নির্বাচনী মাঠ ত্যাগ করবেন না।
জুনেল আহমেদ, আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী

এদিকে নির্বাচনের সময় সাংসদ শহীদ নির্বাচনী এলাকায় প্রভাব বিস্তার করছেন, এমন অভিযোগ উঠেছে। তবে কমলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আসলম ইকবাল বলেন, সাংসদ তাঁর গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার পথে রোববারই প্রথম মুন্সীবাজার ইউনিয়ন এলাকায় এসেছিলেন। তিনি এ নির্বাচনের প্রচারণা চলার সময়ে এর আগে কখনো এলাকায় আসেননি।

সাংসদ এম এ শহীদ মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, তিনি ব্যক্তিগত সফরে গতকাল সন্ধ্যায় শমশেরনগরে তাঁর এক ছাত্রের বাসায় যান। সেখান থেকে গ্রামের বাড়ি সিদ্ধেশ্বরপুর হয়ে শ্রীমঙ্গল ফেরার পথে লোকজনের অনুরোধে গাড়ি থেকে নামেন এবং ছোট ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করতে যান। এ সময় পূর্বপরিকল্পিতভাবে জুনেল আহমেদের নির্দেশে এ হামলা চালানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন