পার্বতীপুর রেলওয়ে স্টেশনমাস্টার শারমিন আক্তার জানান, কীভাবে ট্রেনের বগিটি লাইনচ্যুত হয়েছে, তা বোধগম্য নয়। দুর্ঘটনার পরপরই যাত্রীবাহী দুটি বগি রেখে অন্য ছয়টি বগি নিয়ে লালমনিরহাটের দিকে কমিউটার ট্রেনটি ছেড়ে যায়। তবে বেলা দুইটার দিকে পার্বতীপুর লোকোশেড থেকে রিলিফ ট্রেন (উদ্ধারকারী গাড়ি) এনে বেলা ৩টা ১০ মিনিটে লাইনচ্যুত বগিটি উদ্ধার করা হয়। বিকেল চারটার দিকে লাইন ঠিক হওয়ার পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

পার্বতীপুরে কর্মরত রেলের এক কর্মকর্তা জানান, সুইচ কেবিন মাস্টার ও লাইন খালাসিদের গাফিলতির কারণে একই স্থানে বারবার লাইনচ্যুতির ঘটনা ঘটে। তবে ওই কর্মকর্তা আরও জানান, ট্রেনের গতি কম থাকায় কমিউটার ট্রেনটির যাত্রীরা দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পান।

এ ঘটনায় বিকেলে বিভাগীয় ট্রান্সপারেন্স ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআইটি) ছহির উদ্দিনকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য তিন সদস্য হলেন রেলের ঊর্ধ্বতন উপসহকারী (হেড টিএক্সআর) প্রকৌশলী রায়হানুল ইসলাম, ঊর্ধ্বতন উপসহকারী (ওয়ে/ পার্বতীপুর) আল আমিন ও ঊর্ধ্বতন উপসহকারী (লোকো) কাফিউল ইসলাম। কমিটিকে আগামী তিন দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন