বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

সেলিনা হোসেন বলেন, ‘এই শীতবস্ত্র হলো আপনাদের জন্য ভালোবাসা। এ ভালোবাসা আপনাদের জন্য সব সময় থাকবে। আমাদের এই সংস্থা আছে বলেই আমরা এগুলো দেওয়ার সুযোগ পাই। পরিবেশ রক্ষার জন্য গত সপ্তাহে গাজীপুরের মির্জাপুরে ১০০টি গাছ লাগিয়েছি। এর মাধ্যমে আমাদের যারা ছোট প্রজন্ম আছে, তারা সুন্দরভাবে বেঁচে থাকতে পারবে। সুন্দরভাবে দেশকে গঠন করতে পারবে।’

শীতবস্ত্র নিতে আসা রাজেন্দ্রপুরের নয়াপাড়া গ্রামের হাবিবা বেগম (৫০) বলেন, ‘এইবার শীত যাইব গা। আরামে ঘুমাইতে পারমু পোলাপান লইয়া।’ হালডোবা থেকে এসেছিলেন হাজেরা খাতুন (৫২)। তিনি বলেন, ‘খুব কষ্টে আছিলাম এই কয় দিন। এখন কম্বল আর চাদর পাইছি। শীতে আর কষ্ট করন লাগব না।’ বামনগাঁও গ্রামের মফিজ উদ্দিন (৫৫) এসেছিলেন তাঁর সাত বছর বয়সী নাতিকে সঙ্গে নিয়ে। কম্বল ও শাল পেয়ে দাদা-নাতি মহাখুশি। তিনি বলছিলেন, ‘কম্বলের লগে শাল দেওনে কামডা ভালা অইছে। কয়েক শীত কাইটা যাইব।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন