বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

রোববার দুপুরে কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম এই রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় মামলার ১৬ আসামির মধ্যে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত আবদুস সাত্তার ছাড়া বাকি ১৫ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। সাত্তার করিমগঞ্জ উপজেলার বারঘরিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ ধীতপুর গ্রামের মৃত একরাম হোসেনের ছেলে। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিতদের মধ্যে তবারক হোসেন মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত সাত্তারের সহোদর। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত অপর চারজনের বাড়িও দক্ষিণ ধীতপুর গ্রামে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, তুচ্ছ ঘটনায় দুই প্রতিবেশী পরিবারের ঝগড়াকে কেন্দ্র করে ২০১৩ সালের ২৪ জুলাই দুপুর ১২টার দিকে বদিউর রহমান ও তাঁর পরিবারের লোকজনের ওপর আবদুস সাত্তার ও তাঁর লোকজন হামলা চালান। হামলায় প্রতিপক্ষের বল্লমের আঘাতে বদিউর রহমান গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ ছাড়া আরও বেশ কয়েকজন আহত হন।

এ ঘটনায় নিহত বদিউর রহমানের ছেলে গোলাপ মিয়া বাদী হয়ে ওই বছরের ২৬ জুলাই করিমগঞ্জ থানায় ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। মামলা চলার সময় আবদুল বারেক নামের এক আসামির মৃত্যু হয়। ২০১৩ সালের ২৬ নভেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা করিমগঞ্জ থানার এসআই আশরাফুল সিদ্দিক ১৬ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন