বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত চার মাসে দুই দেশের বাণিজ্য বেড়েছে জানিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, রেলের মাধ্যমে আরও মালামাল আসছে। দুই দেশের চলমান সড়কপথ আরও উন্নত করতে, রেলপথকে আরও মজবুত করতে এবং নৌপথকে আরও বেশি ব্যবহারের চেষ্টা চলছে। এসব যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত হলে দুই দেশের উন্নয়ন হবে। দুই দেশ ও দুই দেশের মানুষের জন্য এটি ভালো হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে বিক্রম দোরাইস্বামী বলেন, ‘পেট্রাপোল ও বেনাপোল স্থলবন্দরে আমরা সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো চেষ্টা করছি। এখানেও (আখাউড়া স্থলবন্দরে) সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হবে, যাতে বাণিজ্য আরও দ্রুতগতিতে সম্পন্ন হয়। এখানে সড়ক বড় হবে। পার্কিং ব্যবস্থাও বাড়ানো হবে। কাজের সময়ও বাড়িয়ে দেওয়া হবে। করোনা পরিস্থিতির পর সবকিছুই ঠিক হবে।’

আখাউড়া-আগরতলা রেললাইন নির্মাণকাজ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, করোনার কারণে রেললাইনের নির্মাণকাজে বিলম্ব হচ্ছে। কিছু অর্থনৈতিক সমস্যাও আছে। তবে আশা করা হচ্ছে, দুই-তিন মাসের বেশি বিলম্ব হবে না।

ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী সড়কপথে ঢাকা থেকে আখাউড়ায় যান। আখাউড়া স্থলবন্দরে আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আক্তার তাঁকে স্বাগত জানান। এ সময় কসবা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নাহিদ হাসান, আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন