বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) জাহাঙ্গীর আলম তুহিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামি মনোয়ারুল বদরগঞ্জ উপজেলার একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষক। তাঁর বিরুদ্ধে একই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে গত বছরের ৭ জুলাই বদরগঞ্জ থানায় মামলা হয়েছিল।

দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামি মনোয়ারুল বদরগঞ্জ উপজেলার একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষক।

মামলার এজাহারে বলা হয়, গত বছরের ৩০ জুন ওই ছাত্রীকে বিদ্যালয়ে ডেকে নেন শিক্ষক মনোয়ারুল ইসলাম। করোনার কারণে বিদ্যালয়ের ক্লাস বন্ধ থাকায় এ সময় সেখানে অন্য কোনো শিক্ষার্থী ও শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন না। পরে শিক্ষক মনোয়ারুল ওই ছাত্রীকে প্রাণনাশের ভয় দেখিয়ে একটি শ্রেণিকক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করেন। ঘটনার সাত দিন পর ওই ছাত্রী নিজে বাদী হয়ে শিক্ষকের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করে।

ওই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) আরিফ আলী ওই বছরের ৩১ আগস্ট শিক্ষক মনোয়ারুল ইসলামকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত ১২ নভেম্বর অভিযোগ গঠন করে বিচারপ্রক্রিয়া শুরু করেন। এক বছরের বেশি সময় ধরে ১৪ জন সাক্ষী এবং ৫ জন সাফাই সাক্ষীর সাক্ষ্য ও জেরা শেষে আজ বিচারক রায় ঘোষণা করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন