চিকিৎসক দলটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন শওকত আলী। তিনি বলেন, করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের হাসপাতালে যাওয়ার প্রতি কিছুটা অনীহা আছে। আবার বিধিনিষেধের মধ্যে সাধারণ রোগীদেরও হাসপাতালে যাওয়া কষ্টকর। এসব সমস্যা বিবেচনায় ফাউন্ডেশনের চিকিৎসক দল বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেছে।

চলতি মাসের শুরু থেকে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের বিনা মূল্যে অক্সিজেন সিলিন্ডার পৌঁছে দিচ্ছে সংগঠনটি। এখন পর্যন্ত ২৫ জন করোনা রোগীর বাড়িতে অক্সিজেন সিলিন্ডার পৌঁছে দিয়েছে তারা। এ ছাড়া নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১২টি অক্সিজেন সিলিন্ডার দিয়েছে সংগঠনটি। এর পাশাপাশি চালু আছে তাদের টেলিমেডিসিন সেবা।

০১৭১৮৩৪৫৭৮৮, ০১৯১৭৭৭৭২৬৪, ০১৭০৩৯৭৭২৪৪—নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করে টেলিমেডিসিন সেবা নিচ্ছেন করোনা রোগীরা।

২৬ আগস্ট নড়িয়া উপজেলার মানাখান গ্রামের ফরিদা বেগমের (৬০) করোনা শনাক্ত হয়। বাড়িতে বসেই চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু হঠাৎ শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে তাঁর স্বজনেরা অক্সিজেনের জন্য বেগম আশ্রাফুন্নেছা ফাউন্ডেশনের চিকিৎসক দলের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

ফরিদা বেগমের নাতি জিহাদ আহম্মেদ বলেন, ‘ফেসবুকের মাধ্যমে জানতে পারি বেগম আশ্রাফুন্নেছা ফাউন্ডেশনের ব্যাপারে। পরে তাদের ফোন নম্বরে যোগাযোগ করলে বাড়িতে এসে তারা অক্সিজেন পৌঁছে দেয়। এখন ওই ফাউন্ডেশনের চিকিৎসকেরা নিয়মিত খোঁজখবর রাখছেন।’

০১৭১৮৩৪৫৭৮৮, ০১৯১৭৭৭৭২৬৪, ০১৭০৩৯৭৭২৪৪—নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করে টেলিমেডিসিন সেবা নিচ্ছেন করোনা রোগীরা। এ ছাড়া অক্সিজেনের প্রয়োজন হলেও সংগঠনটি ছুটে যাচ্ছে রোগীদের দোরগোড়ায়।

জানতে চাইলে উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক প্রথম আলোকে বলেন, ‘অসহায় মানুষের পাশে থাকার জন্য মায়ের নামে ফাউন্ডেশন গড়ে তোলা হয়েছে। পারিবারিক অর্থায়নেই আমরা সংগঠনটি পরিচালনা করছি। করোনাকালে মানুষ খুব কষ্টে আছে। তাই সাধ্যমতো এই সংগঠনের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি গিয়ে চিকিৎসাসেবা, অক্সিজেন সরবরাহ ও হাসপাতালে চিকিৎসাসামগ্রী প্রদান করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি করোনায় আক্রান্ত ও কর্মহীন মানুষের বাড়িতে খাদ্যসহায়তাও দেওয়া হচ্ছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন