বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরএমও তাপস কুমার সরকার বলেন, চারটি মেশিনের মধ্যে তিনটি মেশিন জেলা করোনা নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কমিটি থেকে দেওয়া হয়েছে। আরেকটি মেশিন ওষুধ কোম্পানি এসএকেএফ দিয়েছে। চারটি মেশিন হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে করোনা পজিটিভ রোগীদের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রতিটি মেশিন ৩৩ হাজার টাকা করে। এই যন্ত্র কুষ্টিয়ায় করোনা রোগীদের জরুরি প্রয়োজনে কাজে আসবে।

করোনা ওয়ার্ডে সিলিন্ডার অক্সিজেন বা সেন্ট্রাল অক্সিজেন শেষ হয়ে গেলে পুনরায় ভরতে সময় লাগে। এ সময় দ্রুততার সঙ্গে অক্সিজেন কনসেনট্রেটর মেশিন দিয়ে রোগীকে অক্সিজেন দেওয়া সম্ভব। এই মেশিন প্রাকৃতিক অক্সিজেন নিয়ে সেটা রোগীর শরীরে দিতে পারবে।
এ এস এম মুসা কবির, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ এ এস এম মুসা কবির প্রথম আলোকে জানান, এই মেশিন বহনযোগ্য। করোনা ওয়ার্ডে সিলিন্ডার অক্সিজেন বা সেন্ট্রাল অক্সিজেন শেষ হয়ে গেলে পুনরায় ভরতে সময় লাগে। এ সময় দ্রুততার সঙ্গে অক্সিজেন কনসেনট্রেটর মেশিন দিয়ে রোগীকে অক্সিজেন দেওয়া সম্ভব। এই মেশিন প্রাকৃতিক অক্সিজেন নিয়ে সেটা রোগীর শরীরে দিতে পারবে। প্রতি মিনিটে কমপক্ষে ৯ লিটার অক্সিজেন তৈরি হয়। তিনি আরও বলেন, করোনা রোগীদের ক্রমবর্ধমান অক্সিজেনের চাহিদা মেটাতে এই মেশিনগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। স্থানীয় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সাংসদ মাহবুব উল আলম হানিফের সহযোগিতায় জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটি তিনটি মেশিন হাসপাতালকে প্রদান করে।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক নুরুন-নাহার বেগম বলেন, মেশিনগুলো করোনা রোগীদের জীবন বাঁচাতে খুবই উপকারে আসবে। সাংসদ মাহবুব-উল আলম হানিফ ও জেলা প্রশাসকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেন বলেন, করোনা প্রতিরোধে হাসপাতালকে আরও সুবিধা দেওয়া হবে। যেকোনো উপায়ে জেলায় করোনা নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, রোববার হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ৪৭ জন করোনা পজিটিভ রোগী চিকিৎসাধীন। এর মধ্যে নারী ২৭ জন ও পুরুষ ১৭ জন। আইসোলেশন ওয়ার্ডের পাশেই অবজারভেশন ওয়ার্ডে ১৭ জন রোগী ভর্তি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন