বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়নের পিচুরিয়া হাবিব প্রি-ক্যাডেট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হাবিবুর রহমান বলেন, করোনার কারণে আয়–রোজগার না থাকায় ঋণ করে প্রথম দিকে শিক্ষকদের বেতন দিতে হয়েছে। করোনার প্রকোপ দীর্ঘ হওয়ায় স্কুলের তিনটি টিনের ঘর বিক্রি করতে হয়েছে। একপর্যায়ে স্কুল বন্ধ করতে বাধ্য হন তিনি। এতে শিক্ষকেরাও বেকার হয়েছেন। স্কুলের জায়গায় এখন সবজির চাষ করা হচ্ছে।

ওই স্কুলের শিক্ষক শুকুর মাহমুদ বলেন, এ চাকরি করে স্ত্রী–সন্তান নিয়ে ভালোভাবে সংসার চলে যেত। কিন্তু করোনায় স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাঁর চলতে খুব কষ্ট হচ্ছে। সরকার কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষকদের প্রণোদনা দিলে তাঁদের অনেক উপকার হতো।

সমন্বয় কমিটি সূত্র জানায়, জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি কিন্ডারগার্টেন বন্ধ হয়েছে মির্জাপুরে। এ উপজেলায় ১১০টির মধ্যে ৩৫টি কিন্ডারগার্টেন বন্ধ হয়ে গেছে। এ ছাড়া সখীপুরে ১১০টির মধ্যে ২৯টি, কালিহাতীতে ৮১টির মধ্যে ২৮টি, ঘাটাইলে ৯৪টির মধ্যে ২৪টি কিন্ডারগার্টেন এখন বন্ধ। সবচেয়ে কম কিন্ডারগার্টেন বন্ধ হয়েছে গোপালপুরে, ৩০টির মধ্যে ৪টি।

টাঙ্গাইল শহরের আকুরটাকুর পাড়া এলাকায় অবস্থিত কর্ডোভা রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল করোনাভাইরাসের কারণে বন্ধ হয়েছে। এ স্কুলের প্রধান শিক্ষক শাহিন আল মাসুদ বলেন, ২০১৪ সালে স্কুলটি যাত্রা শুরু করে। করোনাকালে এ স্কুল বন্ধ করে দিতে হয়েছে। ১৮ শিক্ষক বেকার হয়েছে। ভাড়া দিতে না পারায় ভবন ছেড়ে দিতে হয়েছে। আড়াই শতাধিক শিক্ষার্থীও অন্যত্র চলে গেছে।

জেলা কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশন সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক নাসির আহমেদ বলেন, করোনাকালে বেসরকারি কিন্ডারগার্টেনগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ জন্য সরকারের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুল আজিজ বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর কতগুলো কিন্ডারগার্টেন বন্ধ ও চালু আছে, সে বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন