বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নিহতের সহপাঠী ও প্রত্যক্ষদর্শী আবদুল্লাহ আলামিন বলে, তারা সহপাঠীরা মিলে গাংনী পৌরসভা থেকে করোনার দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিয়ে একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যানে করে বাড়ি ফিরছিল। গাংনী পৌর শহরের ব্র্যাক কার্যালয়ের কাছে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা অপর একটি ভ্যান তাদের ভ্যানটিকে ধাক্কা দেয়। এ সময় শিলন ভ্যান থেকে রাস্তায় ছিটকে পড়লে সামনে থেকে আসা অপর একটি ভ্যানের চাকার নিচে পড়ে গুরুতর আহত হয়। পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

শিলন ভ্যান থেকে রাস্তায় ছিটকে পড়লে সামনে থেকে আসা অপর একটি ভ্যানের চাকার নিচে পড়ে গুরুতর আহত হয়। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ছেলের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর থেকে শিলনের মা আঞ্জুরা খাতুন বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন। চেতনা ফিরলে ছেলে হারানোর শোকে তিনি বিলাপ করতে থাকেন। শিলনের বাবা রাহাতুল্লাহ বলেন, ‘কঠোর পরিশ্রম করে জমিতে খেটে ছেলেটিকে মানুষ করার চেষ্টা করছিলাম। সকালে রুটি খেয়ে বিদ্যালয়ে যাবে বলে বেরিয়েছিল। এখন লাশ এল। আমাদের সব আশা চুরমার হয়ে গেল।’

গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক বলেন, খবর শুনে পুলিশের একটি দল নিহতের লাশ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার মামলা করতে চাইলে পুলিশ মামলা নেবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন