default-image

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, ‘করোনা পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে ঘরে বসে থাকলে চলবে না। স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমাদের জরুরি সেবা ও দৈনন্দিন কাজ চালিয়ে যেতে হবে।’ আজ সোমবার সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের এক সভায় ভার্চ্যুয়ালি যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পরিকল্পনামন্ত্রী আরও বলেন, ‘বৈশ্বিক মহামারির ক্রান্তিকাল আমাদের সমন্বিতভাবে মোকাবিলা করতে হবে। এ পরিস্থিতিতে কেউ যেন করোনা পরিস্থিতির দোহাই দিয়ে দায়িত্ব পালনে অবহেলা না করেন। সরকার করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানুষের পাশে আছে। সরকারের কর্মসূচি বাস্তবায়নে মাঠে যাঁরা কাজ করছেন, তাঁদের আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।’

আজ জগন্নাথপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে শ্রমিক-কর্মীদের (এলসিএস) মধ্যে চেক বিতরণের অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে ভার্চ্যুয়ালি যোগ দেন পরিকল্পনামন্ত্রী।
বিজ্ঞাপন

আজ জগন্নাথপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে শ্রমিক-কর্মীদের (এলসিএস) মধ্যে চেক বিতরণের অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে ভার্চ্যুয়ালি যোগ দেন পরিকল্পনামন্ত্রী। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের পল্লী সড়ক ও কালভার্ট মেরামত প্রকল্পের আওতায় এই শ্রমিক-কর্মীরা চুক্তিবদ্ধ। পরিকল্পনামন্ত্রী এ সময় জগন্নাথপুর-বিশ্বনাথ-রশিদপুর সড়কের সংস্কারকাজ সঠিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশলীর নির্বাহী প্রকৌশলীকে নির্দেশ দেন। তিনি সভায় উপস্থিত নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জগন্নাথপুরের সার্বিক বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

উপজেলা পরিষদের সম্মেলনকক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর সুনামগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুব আলম, উপজেলা প্রকৌশলী গোলাম সারোয়ার, উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, সহসভাপতি আবদুল কাইয়ুম, জগন্নাথপুর প্রেসক্লাব সভাপতি শংকর রায়, পাটলী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সিরাজুল হক প্রমুখ। সভায় ৩৯ জন এলসিএস কর্মীকে ৩৯ হাজার টাকা করে এবং ২ জন সুপারভাইজারকে ৪৩ হাজার টাকা করে প্রদান করা হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন