default-image

রাজশাহী-২ (সদর) আসনের সাংসদ ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে তিনটায় রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দর থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাঁকে ঢাকায় পাঠানো হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁকে ভর্তি করা হবে। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের উপপরিচালক সাইফুল ফেরদৌস প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

৮ এপ্রিল করোনার টিকার দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার পর ফজলে হোসেন বাদশা জ্বর অনুভব করেন। গতকাল বুধবার রামেকের ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় তাঁর শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়। তবে নমুনা পরীক্ষায় তাঁর স্ত্রী অধ্যাপক তসলিমা খাতুনের ফলাফল নেগেটিভ এসেছে। পরে রাত নয়টার দিকে তিনি হাসপাতালের একটি কেবিনে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল।

চিকিৎসক সাইফুল ফেরদৌস বলেন, দুপুরে ১৪ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড সাংসদকে ঢাকায় পাঠানো সিদ্ধান্ত দেয়। সেই বোর্ডের প্রধান করা হয়েছে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক খলিলুর রহমানকে। সাংসদের ডায়াবেটিসসহ আরও নানা জটিলতা থাকায় তাঁকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

ওয়ার্কার্স পার্টির রাজশাহী নগরের সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ প্রামাণিক বলেন, মেডিকেল বোর্ড ফজলে হোসেনকে ঢাকায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকেও সাংসদকে ঢাকায় পাঠানোর কথা বলা হয়। পরে বিমানবাহিনীর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ব্যবস্থাপনায় তাঁকে ঢাকায় পাঠানো হয়।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, দেশে করোনার টিকা কার্যক্রম শুরুর প্রথম দিন ৭ ফেব্রুয়ারি ফজলে হোসেন বাদশা টিকা নেন। ওই দিন তিনি রামেক হাসপাতালে প্রথম টিকা গ্রহণ করে কার্যক্রমটির উদ্বোধন করেন। সেদিন তিনি সবাইকে টিকা নেওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করেন। ৮ এপ্রিল তিনি করোনার টিকার দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ করেন। এরপর ১৪ এপ্রিল তিনি করোনায় আক্রান্ত হন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন