default-image

১০ বছর ধরে স্কুলভ্যান চালিয়ে সংসার চালাতেন পবন। মহামারি করোনার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ, স্কুলভ্যানেরও আর দরকার হয় না। আয় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুই কন্যাশিশুসহ চার সদস্যের পরিবার নিয়ে অকূলপাথারে পড়ে যান তিনি। বেঁচে থাকার তাগিদে শেষ সম্বল ভ্যান বিক্রি করে দেন। সেই টাকা দিয়ে কিছুদিন চললেও আবারও ঘোর অন্ধকার নেমে আসে এই দরিদ্র পরিবারে। ধারদেনা করেও সংসার আর চলছিল না।

বরগুনা পৌর শহরের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বটতলা এলাকার বাসিন্দা পবন শেষ পর্যন্ত দ্বারস্থ হন জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহর। পবনের অসহায়ত্বের কথা শুনে তাঁকে সহায়তা করার উদ্যোগ নেন জেলা প্রশাসক। রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পবনের হাতে একটি রিকশা তুলে দেন তিনি। এর মধ্য দিয়েই আবারও পবনের জীবিকার চাকা ঘুরতে শুরু করেছে।

বিজ্ঞাপন

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের কর্মকর্তারা বলেন, জেলা প্রশাসকের কাছে কোনো অসহায় হতদরিদ্র মানুষ সহায়তার জন্য এলে তিনি তাঁর সামর্থ্য অনুযায়ী সেই সব অসহায় দরিদ্র মানুষকে সহায়তা করে থাকেন।

রিকশা পেয়ে খুশি পবন বলেন, ‘জেলা প্রশাসক স্যারের এই সহযোগিতার ফলে আমি দুটি কন্যাসন্তানসহ বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখছি। এখন আবার পেট ভরে দুবেলা দুমুঠো খেতে পারব। আমার দুটি মেয়েকে শিক্ষিত করতে চাই। এই রিকশা আমার উপার্জনের পথ খুলে দিয়েছে। আমি জেলা প্রশাসক স্যারের সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।’

মন্তব্য পড়ুন 0