বিজ্ঞাপন

আহসান হাবিব রাঙামাটি ১ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নে কর্মরত ছিলেন। চলতি বছরের ২ মে তিনি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি পেয়ে রাঙামাটি সার্কেলে যোগদান করেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে রাজধানীর রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে ৩৩তম বিসিএসের এই কর্মকর্তা মারা যান। ১০ দিন লাইফ সাপোর্টে ছিলেন তিনি। পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, করোনাকালে জনগণকে সুরক্ষাসেবা দিতে গিয়ে এখন পর্যন্ত ১০১ পুলিশ সদস্য জীবন উৎসর্গ করেছেন।

আহসান হাবিবের বাবা নুরুল ইসলাম বলেন, ‘আমার ছোট ছেলেটিই সবার আগে চলে গেল।’

শুক্রবার সকালে আহসান হাবিবের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে আনা হলে পরিবার ও স্বজনদের মাতম শুরু হয়। বিকেলে জানাজায় অংশ নেন হাজারো মানুষ। ছিলেন জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার ব্যক্তিরা। আহসান হাবিবের বাবা নুরুল ইসলাম বলেন, ‘আমার ছোট ছেলেটিই সবার আগে চলে গেল।’ আহসান হাবিবের বিশ্ববিদ্যালয়–জীবনের সহপাঠী কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. জিয়া উদ্দিন বলেন, আহসান হাবিব অসম্ভব মেধাবী ছিলেন। সততার সঙ্গে পুলিশ বিভাগে কাজ করেছেন। ছিলেন বন্ধুবৎসল লোক।

মুন্সীরহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মাহফুজ আলম বলেন, আহসান হাবিব অত্যন্ত সৎ পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন। করতেন সাদামাটা জীবনযাপন। বাড়িতে একটি ঘর করেছেন, তা–ও ধারদেনা করে।

আহসান হাবিব মা, বাবা, স্ত্রী, পাঁচ ভাই, দুই বোনসহ অনেক আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর সহধর্মিণী নুসরাত জাহান পায়েলও করোনায় আক্রান্ত হন। তবে পরবর্তী সময়ে তাঁর করোনা নেগেটিভ হয়। আহসান হাবিবের বাবা মাওলানা নুরুল ইসলাম মুন্সীরহাট মাদ্রাসার শিক্ষক।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন