default-image

দুজনই কক্সবাজারের টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক। হাসপাতালে সেবা দিতে গিয়ে প্রথমে স্ত্রী ফাহিম তাসনুভা আক্রান্ত হন। এরপর আক্রান্ত হন স্বামী সুলভ আচার্য। চিকিৎসা শেষে দুজনের কোভিড-১৯ নেগেটিভ আসে। এখন ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে আছেন। নিজেদের সুস্থতার পর এখন তাঁরা অন্যান্য রোগীর সুস্থতার জন্য প্লাজমা দিতে প্রস্তুত।

ফাহিম তাসনুভা বলেন, ‘দীর্ঘদিন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়েছি। ১৬ দিন পর আমার মেয়েটির (৪) সঙ্গে দেখা হলো রোববার। এখন করোনা রোগীর সেবায় আবার কাজে যোগ দেব। যদি চট্টগ্রামে প্লাজমা সংগ্রহ করা হয়, তাহলে আমরা দুজন প্লাজমা দেব। এই অ্যান্টিবডি অন্য রোগীদের কাজে লাগবে।’

কিছু উপসর্গ দেখা দেওয়ায় তাসনুভা কক্সবাজার মেডিকেলে নমুনা দেন ২৭ এপ্রিল। পরদিন তাঁকে জানানো হয়, তাঁর রিপোর্ট নেগেটিভ। এরপর তিনি চট্টগ্রাম ফিরে পরিবারের সদস্যদের সংস্পর্শে আসেন। ১ মে কক্সবাজার থেকে আবার জানানো হয় তিনি কোভিড-১৯ পজিটিভ। ওই দিনই জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন।

স্ত্রী আক্রান্ত হওয়ার পর সুলভের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। ৩ মে তাঁর করোনা পজিটিভ আসে।

সুলভ বলেন, ‘আমি বাসায় চিকিৎসা নিয়েছি। আমার উপসর্গ ছিল মৃদু। করোনা থেকে সুস্থ হয়েছি। এখন চাই মানুষের পাশে দাঁড়াতে। প্লাজমা দিয়ে অন্যদের সাহায্য করতে চাই।’

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0