বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, করোনায় আক্রান্ত ১২ বছরের ঊর্ধ্বের ব্যক্তিরা এ ওষুধ সেবন করতে পারবেন। করোনা চিকিৎসায় এটা দেশের জন্য মাইলফলক। এ ট্যাবলেটের কার্যকারিতা ৮৮ ভাগ বলে জানা গেছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা টিকা দিচ্ছি। বুস্টার ডোজ দেওয়া হচ্ছে। আমাদের দেশের সংক্রমণ এখন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। বিভিন্ন দেশ লকডাউন দিচ্ছে। আমরা ৩১ কোটি ভ্যাকসিনের প্রতিশ্রুতি পেয়েছি, যার মধ্যে ক্রয়ও যুক্ত আছে। এর মধ্যে প্রায় ১৭ কোটি টিকা আমাদের হাতে চলে এসেছে। ৭ কোটি প্রথম ডোজ ও ৫ কোটি দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, এবার জানুয়ারি মাস থেকে নতুন উদ্যোগে টিকাদান কার্যক্রম চালু করা হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে এ টিকা দেওয়া হবে। দেশে ১৫ হাজার ওয়ার্ডে ২৮ হাজার বুথে ২০২২ সাল থেকে টিকা দেওয়া হবে। এ কর্মসূচিতে ৪ কোটি টিকা দেওয়া যাবে। টিকার অভাব নেই জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার কমিয়ে আনতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।

ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি ও মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আবদুল লতিফের সভাপতিত্বে বার্ষিক সাধারণ সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ছাড়াও বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মহীউদ্দীন, পৌর মেয়র রমজান আলী, ডায়াবেটিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুলতানুল আজম খান, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সুদেব সাহা, ডায়াবেটিক সমিতির সহসভপতি নীনা রহমান প্রমুখ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন