বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কুদরত-ই-খোদা আরও বলেন, হাসপাতালে যাঁরা উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হচ্ছেন, তাঁরা অধিকাংশই করোনায় আক্রান্ত। কিন্তু অনেক সময় র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন কিংবা আরটিপিসিআর ল্যাবে পরীক্ষা করার পর পজিটিভ আসে না। চিকিৎসকেরা বেশি নির্ভর করেন সিটিস্ক্যান পরীক্ষার ওপর। অধিকাংশ রোগীর সিটিস্ক্যান করে দেখা যায়, তাঁদের ফুসফুস আক্রান্ত। তাঁদের করোনা সংক্রমণের চিকিৎসা দেওয়া হয়। কিন্তু করোনা পজিটিভ তালিকায় তাঁদের নাম আসে না। ফলে মারা গেলেও তাঁদের নাম আসে উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়ার তালিকায়।

এদিকে হাসপাতালে নতুন ৪৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। আজ সকাল পর্যন্ত ২৫২ জন ভর্তি আছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬০ জন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন