চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর ১২ নম্বর ঘাট এলাকায় যাত্রীবাহী নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ ফাহিম আল ফারুকের (২২) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকাল ছয়টার দিকে ১১ নম্বর ঘাট এলাকায় ভেসে উঠলে স্থানীয় লোকজন তাঁর লাশটি সেখান থেকে উদ্ধার করেন। তিনি শাহমিরপুর ভাইস চেয়ারম্যানবাড়ির মো. মারজানের ছেলে।

গত মঙ্গলবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে ওই নৌকাডুবির ঘটনায় এ নিয়ে দুই যাত্রীর মারা যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। তাঁরা চট্টগ্রাম শহরের পোশাক কারখানার কর্মী। নৌকা ডুবে যাওয়ার সময় মারা যান কর্ণফুলী উপজেলার শাহমিরপুর বড়ুয়া পাড়ার প্রশান্ত বড়ুয়ার পুত্র সৈকত বড়ুয়া (২০)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে কর্ণফুলী ১২ নম্বর ঘাট থেকে ৩০-৩২ জন যাত্রী নিয়ে একটি নৌকা ছাড়ে। নৌকাটি সামান্য পথ যাওয়ার পর ঘোরানোর সময় উল্টে যায়। ওই সময় ঘন কুয়াশা থাকায় নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পারলে নৌকাটি ডুবে যায়। সঙ্গে সঙ্গে আশপাশের কয়েকটি নৌকা যাত্রীদের উদ্ধার করলেও একজন নিহত হন এবং নিখোঁজ আছেন একজন।

স্থানীয় বড়উঠান ইউনিয়নের শাহমিরপুর ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. ইলিয়াস বলেন, নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ ফাহিম আল ফারুকের লাশ শুক্রবার সকালে ১১ নম্বর ঘাট এলাকায় ভেসে উঠলে আমরা তুলে আনি। সকাল ১০টায় তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল মাহমুদ বলেন, নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ ফাহিম আল ফারুকের লাশ উদ্ধারের পর পারিবারিকভাবে দাফন করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন