বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জেলা সিভিল সার্জন ও সদর হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে অভিযান-১০ লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা শুনে দুর্ঘটনাস্থলে যান বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল হাসান। এর পরদিন তিনি ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসার খোঁজ নিতে গিয়ে সিভিল সার্জন রতন কুমার ঢালীকে না পেয়ে অসন্তুষ্ট হন। পরে বিষয়টি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে জানানো হয়।

ওএসডি করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে সংযুক্ত করার বিষয়ে রতন কুমার ঢালী বলেন, ‘আমাকে সিভিল সার্জনের পদ থেকে সরিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।’ এর কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘লঞ্চ দুর্ঘটনার পর বিভাগীয় কমিশনার গত ২৪ ডিসেম্বর ঝালকাঠিতে এসেছিলেন। এ সময় তিনি রোগীদের চিকিৎসার বিষয়ে খোঁজ নিতে সদর হাসপাতালে আসেন। তখন আমাকে না পেয়ে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন। আসলে বিভাগীয় কমিশনার যে হাসপাতালে আছেন, সেটা আমাকে কেউ জানাননি। আমি আশপাশেই ছিলাম। তাঁর আসার খবর শুনে আমি টেলিফোনে তাঁর সঙ্গে কথা বলেছি। এরপর বেলা দুইটার দিকে তাঁর সঙ্গে আমি দেখা করেছি। এরপরও তিনি সন্তুষ্ট হতে না পারায় লিখিতভাবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে জানিয়েছেন। আমি আজ সোমবার দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়ে আগামীকাল মঙ্গলবার অধিদপ্তরে যোগ দেব।’

অভিযান-১০ লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর শতাধিক দগ্ধ রোগী সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে তাঁদের মধ্য থেকে ৭০ জনকে বরিশালের শের-ই–বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেদিন ঝালকাঠির কর্মস্থলে না থেকে সিভিল সার্জন রতন কুমার ঢালীর বিরুদ্ধে পিরোজপুর শহরের বাসায় অবস্থান করার অভিযোগ ওঠে। লঞ্চে আগুনে এখন পর্যন্ত ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ আছেন ৩১ জন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন