বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য আবদুল খালেক ফকির বলেন, গতকাল সন্ধ্যায় বশির কলাপাড়া পৌর শহর থেকে কাজ শেষে বাড়ি ফেরেন। তিনি বাড়িতে আসার পরপরই একজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি ঘরে ঢুকে তাঁকে টেনেহিঁচড়ে বাড়ির সামনের ধানখেতে নিয়ে যান। ধারণা করা হচ্ছে, ওই সময় তাঁকে ছুরিকাঘাত করে লাশটি ধানখেতে ফেলে রাখা হয়।

খবর পেয়ে কলাপাড়া থানা–পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বশিরের লাশ উদ্ধার করে। স্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বশির যে জমির ওপর বাড়ি করেছেন, ওই জমি নিয়ে তাঁর চাচাতো ভাইদের সঙ্গে বিরোধ ছিল।

বশিরের স্ত্রী শিরিন বেগম বলেন, ‘আমার স্বামীর কোনো দোষ আছেলো না। সহজ-সরল মানুষ আছেলেন। হ্যারে কী কারণে এবং কেন মারলো আমি কিছুই কইতে পারি না। কারা মারছে? হ্যাগো খুঁইজ্যা বাইর কইরা যেন গ্রেপ্তার করা হয়।’

কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসীম প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনাস্থল থেকে একটি ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। শরীরের ক্ষতের চিহ্ন দেখে ধারণা করা হচ্ছে, ওই যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। লাশটি উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন