বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ ঘটনা তদন্তে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে নৌ পুলিশের বরিশাল আঞ্চলিক কার্যালয় ও পটুয়াখালী জেলা পুলিশ। আঞ্চলিক কার্যালয়ের কমিটিকে পাঁচ ও জেলা পুলিশের কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

পায়রা বন্দর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক শহীদুল ইসলাম বলেন, নৌ পুলিশের দলটি রাবনাবাদ চ্যানেলে নিয়মিত টহল দেওয়ার জন্য বের হয়েছিল। এ সময় একটি ট্রলারে করে কয়েকজন জেলে মাছ ধরছিলেন। ট্রলারটিতে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল থাকতে পারে—এমন সন্দেহে ধাওয়া করে নৌ পুলিশ ট্রলারটি ধরে ফেলে। পুলিশের দাবি, কোনো জেলেকেই মারধর করা হয়নি। তারা সুজনকে অচেতন অবস্থায় ট্রলারে পায়।

সুজনের মামা ইব্রাহিম খলিল বলেন, ঢোস এলাকায় তাঁর মাছের আড়ত আছে। বেলা ১১টার দিকে পুলিশের বাঁশির শব্দ পেয়ে আড়ত থেকে পেছনে তাকিয়ে দেখেন, ঘাটে ভেড়া একটি মাছ ধরার ট্রলারের ওপর তিন-চারজন পুলিশ সদস্য দাঁড়িয়ে। আর ট্রলারে পড়ে আছে সুজনের দেহ। এ সময় তিনিসহ কয়েকজন গিয়ে সুজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পটুয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ্ বলেন, আজ লাশের ময়নাতদন্ত হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে জানা যাবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন