বিজ্ঞাপন

করোনা পরিস্থিতিতে প্রকল্প এলাকার বাইরে থেকে এসে কাজে যোগদান নিয়ে এই উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এ সম্পর্কে দুপুরে রুরাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিসিএল) নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইকবাল করিম বলেন, স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ শ্রমিকদের সঙ্গে বৈঠকে সমঝোতা হয়েছে। শ্রমিকেরা বেলা দুইটা থেকে কাজে যোগ দিয়েছেন।

বাংলাদেশ-চায়না যৌথ অংশীদারত্বে ধানখালীতে ৬৬০ মেগাওয়াটের কয়লাভিত্তিক দুটি তাপবিদ্যুৎ ইউনিট নির্মাণ করা হচ্ছে। করোনার অতিমারির মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রকল্প এলাকায় উন্নয়নকাজ চলমান রয়েছে। বর্তমানে প্রকল্প এলাকায় প্রায় ১ হাজার ৪০০ চীনা ও দেশি শ্রমিক কাজ করছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, করোনা পরিস্থিতিতে প্রকল্পের কাজে নিয়োজিত দেশি শ্রমিকদের বাইরে বের হতে নিষেধ করেন চীনা শ্রমিকেরা। আবার যে শ্রমিকেরা বাইরে থেকে এসে কাজ করেন, তাঁদের ভেতরে ঢুকতে নিষেধ করা হয়। এ নিয়ে কয়েক দিন ধরে দুপক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। আজ সকালে বাইরে থাকা শ্রমিকেরা প্রকল্প এলাকায় ঢুকতে চাইলে প্রধান ফটকের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মীরা নিষেধ করেন। একপর্যায়ে উত্তেজিত শ্রমিকেরা জোর করে ভেতরে ঢোকেন। এ সময় নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে তাঁদের হাতাহাতি হয়। এ নিয়ে চীনা শ্রমিকদের সঙ্গেও দেশি শ্রমিকদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

এদিকে মারামারির খবর পেয়ে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহিদুল হক, কলাপাড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহমেদ আলীসহ তাপবিদ্যুৎ প্রকল্পের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে আসেন। শ্রমিকদের প্রতিনিধি হিসেবে পাঁচজনের সঙ্গে প্রশাসন ও আরএনপিএল কর্মকর্তারা বৈঠকে বসেন। এরপর দুপুরে শ্রমিকেরা কাজে যোগ দেন।

আরপিসিএলের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইকবাল করিম বলেন, শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনার পর বিষয়টি সমাধান হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রকল্পের কাজ চলবে। প্রকল্পের বাইরে থেকে আসা দেশি শ্রমিকদের শরীরের তাপমাত্রা মেপে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হবে। এ ছাড়া প্রকল্প এলাকায় শ্রমিকদের আবাসন ও পানির সমস্যা সমাধানে আশ্বাস দেওয়া দেওয়া হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন