বিজ্ঞাপন

রেজাই-রাব্বির পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় পাঁচ বছর আগে বাহরাইনে গিয়েছিলেন রেজাই–রাব্বি। রেজাই–রাব্বি ও তাঁর ছোট ভাই মাসুদ খন্দকার বাহরাইনে থাকেন। একই বাসায় থাকেন তাঁরা দুই ভাই। গত শুক্রবার ঈদের দিন রাতে বাহরাইনে গাড়ি নিয়ে ঘুরতে বের হয়েছিলেন রেজাই। কিন্তু বাসায় ফিরে আসেননি। গতকাল শনিবার গভীর রাতে তাঁর সঙ্গে থাকা ছোট ভাই তাঁকে খুঁজতে বের হয়ে খবর পান, রেজাই–রাব্বি সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। তাঁর সঙ্গে থাকা আরও দুই বাংলাদেশিও ওই দুর্ঘটনায় নিহত হন। আজ রোববার বাড়িতে কল করে ভাইয়ের মৃত্যুর খবর দেন মাসুদ। লাশ বাহরাইনের হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে।

ভাইয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে বড় বোন নাছিমা বেগম বাড়িতে আসেন। কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলেন, ‘ঈদের দিনে ভাইকে হারিয়েছি। মা নেই, বাবা নেই। আমার বয়সের কাছাকাছি ছোট ভাইটিকেও হারিয়েছি। আমার ভাইয়ের লাশটি দেশে আনার ব্যবস্থা করার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি।’

মান্দারপুর গ্রামের বাসিন্দা কলেজশিক্ষক ফুরকান আহাম্মদ বলেন, ‘রেজাই–রাব্বি আমাদের দুই বছর আগে এসএসসি পাস করলেও আমরা একই সঙ্গে বন্ধুর মতো চলাফেরা করতাম। তাঁকে হারিয়ে গ্রামবাসী শোকাহত।’

কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদ উল আলম বাহরাইনে সড়ক দুর্ঘটনায় রেজাই-রাব্বির মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন