বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাতে কুটি দক্ষিণ বাজারে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার গ্যারেজ থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। এরপর দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পাশের পাটের গুদামে চলে যায়। সেখান থেকে একে একে ধান, মরিচ, লাকড়ির গুদামসহ মোট আটটি প্রতিষ্ঠান পুড়ে যায়। খবর পেয়ে কসবার কুটি চৌমহনী ফায়ার সার্ভিসের দুটি দল প্রথমে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে তাদের সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে দুটি, আখাউড়া থেকে একটি ইউনিটসহ মোট পাঁচটি দল মিলে প্রায় তিন ঘণ্টা পর আগুন নেভাতে সক্ষম হয়।

দুর্ঘটনার পরপরই কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদ উল আলম ও কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আলমগীর ভূঁইয়া ঘটনাস্থলে যান। পরে দুর্ঘটনার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ও আগুনের প্রকৃত কারণ জানতে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটিকে দুই কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

default-image

ধান ও পাটের গুদামের মালিক জাহিদুল ইসলাম দাবি করেন, তাঁর ২ গুদামে ৬০০ মণ পাট ও ৯০০ মণ ধান ছিল। অগ্নিকাণ্ডে তাঁর কমপক্ষে এক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

কসবার কুটি ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট লিডার আবদুল্লাহ খালিদ প্রথম আলোকে বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার গ্যারেজ থেকে আগুন ধরেছে। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তদন্ত করে আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা হবে।

ইউএনও মাসুদ উল আলম প্রথম আলোকে বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন