বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

১৫ ডিসেম্বরেই শাখা অনুমোদন না করে কেন অতিরিক্ত শিক্ষার্থীর চাহিদা পাঠানো হয়েছে, জানতে চেয়ে ওই দুই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে কৈফিয়ত তলব করেন ইউএনও মাসুদ উল আলম। গত শনিবার ভর্তির কার্যক্রম শুরু করার কথা থাকলেও বিদ্যালয় দুটি কার্যক্রম শুরু করেনি। আজ রোববার তাদের ভর্তির কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং ওই দুই প্রধান শিক্ষক কারণ দর্শানোর জবাব দিয়েছেন।

কসবা সরকারি বালক উচ্চবিদালয়ের প্রধান শিক্ষক হুরুন্নাহার বেগম বলেন, ‘আমাদের বিদ্যালয়ে প্রতিবছর ৯০ জন শিক্ষার্থীকে ভর্তি করানো হয়। কিন্তু এ বছর ১২০ জনের চাহিদা পাঠানো হয়েছিল। এগুলো এডিট করে সংশোধন করা যেত। এ বছর এডিট করা যায়নি। এ কারণে ১২০ জন ছাত্র ভর্তির জন্য নির্ধারিত হয়েছে। শাখা অনুমোদনের জন্য মাউশিতে আবেদন করা হয়েছে। বর্তমানে আমাদের নতুন ভবন এবং শিক্ষকও রয়েছেন। ভর্তি কমিটির সভাপতির স্বাক্ষর না থাকায় শনিবার ভর্তি কার্যক্রম শুরু করতে পারিনি।’

কসবা সরকারি বালিক উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আয়েশা আক্তার বলেন, ‘প্রতিবছরই ৯০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। এ বছরও ৯০ জনের চাহিদা চেয়েছিলাম। ৯০ জনই ছাত্রী সিলেকশন পেয়েছি। শাখা অনুমোদনের জন্য মাউশিতে আবেদন করেছি।’

ভর্তি কমিটির সভাপতি ইউএনও মাসুদ উল আলম আজ দুপুরে প্রথম আলোকে বলেন, শিক্ষার্থীদের ভর্তি বন্ধ রাখতে বলা হয়নি। প্রধান শিক্ষকদের অদক্ষতার কারণে তাঁরা ভর্তি করেননি।

তিনি বলেন, ষষ্ঠ শ্রেণিতে একটি শাখায় ৬০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়ার কথা। কিন্তু শাখা অনুমোদন না করেই দ্বিগুণ শিক্ষার্থীর ভর্তি চাহিদা মাউশিতে পাঠিয়েছেন বিদ্যালয় দুটির প্রধান শিক্ষক। বিষয়টি মাননীয় আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এবং জেলা প্রশাসক মহোদয়কে অবহিত করা হয়েছে। তাঁদের নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যালয় দুটির প্রধান শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে, কিন্তু ভর্তি বন্ধ রাখতে বলা হয়নি। দুই প্রধান শিক্ষক লিখিতভাবে তার জবাব দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, ‘যারা ভর্তির জন্য অনুমতি পেয়েছে তাদের ভর্তি করা হবে। শাখা অনুমোদনের জন্য মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়কে অনুরোধ জানিয়েছি। তিনি বলেছেন, অনুমোদনের ব্যবস্থা করে দেবেন।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন