default-image

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় গতকাল শুক্রবার গভীর রাতে মায়ের বুক থেকে ৯ মাস বয়সী একটি শিশুকন্যা উধাও হয়েছে। পরে আজ শনিবার সকালে বাড়ির পাশের ডোবা থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করেছে কসবা থানা-পুলিশ। উপজেলার কুটি ইউনিয়নের দক্ষিণখার গ্রামের ঘটনা এটি। শিশুটির নাম মরিয়ম আক্তার। শিশুকন্যাকে হারিয়ে তার মা–বাবার যেন দিশেহারা অবস্থা।

পুলিশ নিহত শিশুটির লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কসবা উপজেলার দক্ষিণখার গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম তাঁর স্ত্রী ও শিশুকন্যা মরিয়মকে নিয়ে গতকাল রাতের খাবার শেষে ঘুমিয়ে ছিলেন। রাত দেড়টার দিকে মা শিশুটিকে একবার বুকের দুধ পান করিয়ে আবার ঘুমিয়ে পড়েন। সকালে ঘুম থেকে উঠে শিশুটিকে আর খুঁজে পাননি তিনি। পরে খুঁজতে খুঁজতে বাড়ির পাশের ডোবায় শিশুটির লাশ দেখতে পান স্থানীয় লোকজন। পরে খবর পেয়ে কসবা থানার পুলিশ শিশুটির লাশ উদ্ধার করেছে। পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

নয় মাসের শিশু মরিয়ম বাবা–মার সঙ্গে ঘুমিয়ে ছিল। ঘুম থেকে উঠে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। কিন্তু ঘরের দরজাও বন্ধ ছিল। পরে মৃত অবস্থায় ডোবার মধ্যে তাকে পাওয়া যায়।
বিজ্ঞাপন

নিহত শিশুটির বাবা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মেয়ে মরিয়ম তাঁদের সঙ্গে ঘুমিয়ে ছিল। ঘুম থেকে উঠে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। কিন্তু ঘরের দরজাও বন্ধ ছিল। পরে মৃত অবস্থায় ডোবার মধ্যে তাকে পাওয়া যায়। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘কিছুই বুঝতে পারলাম না কী থেকে কী হয়ে গেল।’

কসবা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জাকির হোসেন বলেন, রাত দেড়টায় শিশুটিকে দুধ পান করিয়েছিলেন মা। সকালে ঘুম থেকে উঠে আর শিশুটিকে পাশে পাননি তিনি। পরে খুঁজতে খুঁজতে বাড়ির পাশের ডোবা থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শিশুটির মা-বাবা হতভম্ব। তাঁরা কিছুই বলতে পারছেন না। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। লাশটির ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন