default-image

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ট্রাক, প্রাইভেট কার ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার ত্রিমুখী সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন চালকসহ আরও তিনজন। তাঁদের প্রত্যেকের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। আজ শুক্রবার বেলা দুইটার দিকে উপজেলার খাড়েরা ইউনিয়নের মনকাশাইর এলাকায় কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

নিহত চারজনের লাশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। তাঁরা হলেন কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার যাত্রাপুর গ্রামের নাবালক মিয়া (৬২), তাঁর স্ত্রী আয়েশা খাতুন (৫০), নাবালক মিয়ার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী ফাতেমা বেগম (৫০), নাবালক মিয়ার নাতনি নাদিয়া আক্তার (৫)। আহত তিনজন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে সিমেন্টেভর্তি রয়েল কোম্পানির একটি ট্রাক কুমিল্লার দিকে যাচ্ছিল। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা ব্রাহ্মণবাড়িয়ামুখী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে ট্রাকটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায়। এরপর সামনে থাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়ামুখী অন্য একটি প্রাইভেট কারকেও ধাক্কা দেয় ট্রাকটি। গাড়িতে থাকা চালকসহ ছয়জন গুরুতর আহত হন। ঘটনাস্থলেই সিএনজির চার যাত্রী মারা যান। প্রাইভেটকারের চালকের অবস্থা বেশি আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

কুমিল্লাগামী ট্রাকটির চালক সিএনজিচালিত অটোরিকশার ওপরে তুলে দেন। এতে অটোরিকশা দুমড়েমুচড়ে যায়। ট্রাকটি এ সময় একটি প্রাইভেট কারেও ধাক্কা দেয়। এতে প্রাইভেট কারের চালক গুরুতর আহত হন।
বিজ্ঞাপন

ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে নিহত ও আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করেন। খবর পেয়ে কসবা থানা-পুলিশ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে হতাহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া হাইওয়ে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুর রাজ্জাক বলেন, কুমিল্লাগামী ট্রাকটির চালক সিএনজিচালিত অটোরিকশার ওপরে তুলে দেন। এতে অটোরিকশা দুমড়েমুচড়ে যায়। ট্রাকটি এ সময় একটি প্রাইভেট কারেও ধাক্কা দেয়। এতে প্রাইভেট কারের চালক গুরুতর আহত হন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লোকমান হোসেন বলেন, ট্রাক, অটোরিকশা ও প্রাইভেট কারের সংঘর্ষে চারজন মারা গেছেন। আহত হয়েছেন তিনজন। তাঁদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মন্তব্য পড়ুন 0