বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এদিকে নবগঠিত উপজেলা ও পৌর যুবদলের উদ্যোগে আজ সকালে একটি আনন্দ মিছিল বের হয়। বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে যুবদলের নেতা-কর্মীরা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের অনন্তপুর এলাকায় জড়ো হতে শুরু করেন। উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. ফখর উদ্দিন ও উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. মাসুদুল হক ভূইয়ার নেতৃত্বে সকাল নয়টায় আনন্দ মিছিল বের হয়। মিছিলটি অনন্তপুর থেকে উপজেলা সদরে আসার সময় আদ্রা এলাকায় পুলিশের বাধার মুখে পড়ে। এ সময় পুলিশের সঙ্গে যুবদল নেতা-কর্মীদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। যুবদলের আহ্বায়ক মাসুদুলসহ ১০ থেকে ১২ জন আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ সিরাজুল হক ওরফে ইমু নামের এক ছাত্রদল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে।

কসবা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. মাসুদুল হক বলেন, উপজেলা ও পৌর যুবদলের নতুন কমিটি গঠনের পর প্রায় এক হাজার নেতা-কর্মী নিয়ে একটি শান্তিপূর্ণ আনন্দ মিছিল করতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। একপর্যায়ে পুলিশ লাঠিপেটা করে মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পুলিশের লাঠিপেটায় তিনিসহ ১০ থেকে ১২ জন আহত হন।

কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আলমগীর ভূইয়া বলেন, উপজেলা ও পৌর যুবদলের দুই দল রয়েছে। একদল পদধারী ও একদল পদবঞ্চিত। দুই দলের মধ্যে উত্তেজনা রয়েছে। পদধারীদের আনন্দ মিছিল করতে কোনো ধরনের অনুমতি নেওয়া হয়নি। মিছিলটি উপজেলা সদরে এলে দুই দলের মধ্যে সংঘর্ষের আশঙ্কা ছিল। এ কারণে মিছিলটি করতে দেওয়া হয়নি। এ ঘটনায় থানায় মামলা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন