নিহত নাজির আহমেদ সৈয়দাবাদ তিনলাখপীর গ্রামের মৃত আক্তার হোসেনের ছেলে। তিনি পেশায় একজন কৃষক। পরিবারে স্ত্রী, দুই ছেলে ও তিন মেয়ে রয়েছে। লাশটি নিহত ব্যক্তির বাড়িতে নিয়ে গেলে হৃদয়বিদারক মুহূর্ত তৈরি হয়।

দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয়ে গেলেও তিনি বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের লোকজনসহ স্থানীয় ব্যক্তিরা তাঁকে খুঁজতে খালের পাড়ে আসেন।

নিহত ব্যক্তির পরিবার, পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন ধরে প্রবল বর্ষণ হয়েছে। পাহাড়ি ঢলের পানি কসবা উপজেলার সৈয়দাবাদ তিনলাখপীর এলাকার খাল দিয়ে দ্রুতগতিতে নিচের দিকে যাচ্ছে। গতকাল সোমবার দুপুরে নাজির আহমেদ খালের পাড়ে শার্ট, গামছা ও শার্টের পকেটে টাকা রেখে একটি ঠেলা জাল দিয়ে মাছ ধরতে খালে নামেন। দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয়ে গেলেও তিনি বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের লোকজনসহ স্থানীয় ব্যক্তিরা তাঁকে খুঁজতে খালের পাড়ে আসেন। কাপড়চোপড় ও টাকা পেলেও নাজিরকে খুঁজে পাচ্ছিলেন না। রাতে ফায়ার সার্ভিস ও চাঁদপুর থেকে ডুবুরি দল এসেও নাজিরকে খুঁজে পায়নি।

আজ সকালে ওই খালে নাজিরের লাশ ভেসে উঠতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। খবর পেয়ে কসবা থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে। নিহত ব্যক্তির পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ।

লাশ বাড়িতে নেওয়ার পর স্ত্রী হালিমা বেগম বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন। তাঁর মাথায় পানি ঢালা হয়। তিনি কাঁদতে কাঁদতে বলেন, নতুন পানির মাছ কেন ধরতে গেলেন, কেন তাঁদের ছেড়ে চিরবিদায় নিলেন তাঁর স্বামী।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন