বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন


পাঁচবিবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পলাশ চন্দ্র দেব বলেন, কাইছার আলী মণ্ডল মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে নিহত হয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় এক ডজনের বেশি মামলা আছে।

আজ বেলা ২টার দিকে জয়হার গ্রামের নিহত কাইছারের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, বাড়ির উঠানে বসে দুজন নারী কাঁদছেন। কিছুক্ষণ পর কয়েকজন প্রতিবেশী লাশ কখন আসবে, ওই দুই নারীর কাছে জানতে চান। লাশ কখন আসবে, তাঁরা জানেন না বলে তাঁদের জানিয়ে দেন। এরপর সেখানে গ্রামের লোকজন ভিড় করেন।

গ্রামবাসী ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নিহত কাইছার আলী দুর্ধর্ষ ডাকাত ছিলেন। এলাকার কোথাও চুরি-ডাকাতি হলে পুলিশ তাঁকে সন্দেহ করত। প্রায় দিনই তাঁর খোঁজে পুলিশ জয়হার গ্রামে আসত। সাত মাস আগে কাইছারের মা আমিনা বেগম মারা যান। এ উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া করার পর কাইছার আলী নিরুদ্দেশ হন। আজ দুপুরে কুসুম্বা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিহাদ মণ্ডল স্থানীয় ওয়ার্ডের সদস্য আনোয়ার হোসেনের মাধ্যমে কাইছার মারা যাওয়ার বিষয়টি তাঁর স্বজনদের জানান। এরপর নিহত কাইছারের খালা হাসনা বেগমসহ অন্য স্বজনেরা বাড়িতে এসে আহাজারি করেন।

নিহত কাইছারের বড় ভাই বেলাল হোসেন বলেন, ‘কাইছার গ্রামে থাকতে মাছের ব্যবসা ও জমি আবাদ করত। সে বাইরে খারাপ কাজ করত, সেটি আমরা কেউ জানতাম না। তবে কাইছারের খোঁজে বিভিন্ন থানার পুলিশ বাড়িতে আসত। তখন কাইছার পালিয়ে থাকত। কাইছার সাত মাস আগে বাড়ি ছাড়ছে। আজ দুপুরের শুনলাম, কাইছার গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছে।’

কাইছারের ভাবি জোবেদা বলেন, কাইছার দুটি বিয়ে করেছেন। প্রথম স্ত্রী বাপের বাড়িতে থাকেন। সেই পক্ষের একটি ছেলেসন্তান আছে। কাইছারের মাটির ঘর ঝড়ে ভেঙে গেছে। এখন কাইছারের বাড়িতে কেউ থাকেন না। কাইছার ঢাকায় রিকশা চালান বলে শুনেছিলেন। তিনি ডাকাতি করতেন, সেটি তাঁরা জানতেন না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন