বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জেলা আওয়ামী লীগের একাংশের প্রতি ইঙ্গিত দিয়ে আওয়ামী লীগের প্রবীণ এ নেতা বলেন, ‘আমার সামনে যাঁরা বসে আছেন, তাঁরা আওয়ামী লীগের মূল স্রোতের। আপনারা মূল স্রোতে নাই, আপনারা গডফাদারদের সঙ্গে আছেন। মূল স্রোতের বাইরে গিয়ে কেউ টিকতে পারবেন না। দলে থাকতে হলে মূল স্রোতে থাকতে হবে। তাই মূল স্রোতে আসার চেষ্টা করেন। টাকা দিয়ে পদ কেনা আওয়ামী লীগে যায় না।’

বিপুল ঘোষ আরও বলেন, ‘কিছু বহিরাগত আছেন, তাঁরা নাকি সদর আসন থেকে নির্বাচন করবেন। আরে ব্যাটা, তোরা নির্বাচন করবি—তোরা কি ফরিদপুরের লোক? ফরিদপুরের লোকের আপদে–বিপদে তোরা কি সাহায্য করিস? আমি তোদের ভালোভাবে বইলা দিই, জননেত্রী শেখ হাসিনা যেখানে তোদের নমিনেশন দেয়, সেখানে যা, দয়া কইরা ফরিদপুরে আসার দরকার নাই। আমি গত ৪১ বছরে ৭১ মাস জেল খাটছি, তোরা কয় দিন জেল খাটছিস?’

সভায় সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুর রাজ্জাক মোল্লা। বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুবল চন্দ্র সাহা, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মাসুদ হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ঝর্ণা হাসান, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সামচুল ইসলাম চৌধুরী।

আলোচনা সভা শেষে একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি ইমাম স্কয়ার থেকে শুরু হয়ে মুজিব সড়ক ধরে ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সামনে এসে শেষ হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সভায় মঞ্চের ব্যানারের বাঁ পাশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, শেখ হাসিনা ও সজীব ওয়াজেদ জয়ের ছবি ছিল। ডান দিকে বড় করে ছিল আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর, চরভদ্রাসন) আসনের সাবেক সাংসদ কাজী জাফর উল্যাহ ছবি।

জেলা আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, ফরিদপুর-৩ (সদর) আসনের সাংসদ সাবেক এলজিআরডি মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফের ক্ষমতা খর্ব হওয়ার পর জেলা আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন সভায় কখনো বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ফরিদপুর-১ (বোয়ালমারী, আলফাডাঙ্গা, মধুখালী) আসনের সাবেক সাংসদ আবদুর রহমান, আবার কখনো যুবলীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ফরিদপুর-৪ আসনের স্বতন্ত্র সাংসদ মজিবুর রহমান চৌধুরী ওরফে নিক্সনের ছবি থাকে ব্যানারে। ফরিদপুর সদর আসনের কোনো অনুষ্ঠানের ব্যানারে এবারই প্রথম কাজী জাফর উল্যাহর ছবি দেখা গেছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন