বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নাটুয়ার পাড়া ইউপির প্রার্থী তোজাম্মেল হক অভিযোগ করে বলেন, আজ দুপুরে তিনি ব্যাংকে ট্রেজারি চালান জমা দিয়ে মনোনয়নপত্র নিতে উপজেলা চত্বরে যান। এ সময় উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলী আসলামের নেতৃত্বে এক দল আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা–কর্মী তাঁর কাছ থেকে জোর করে সব কাগজপত্র কেড়ে নেন। এ সময় তাঁর ছেলে সোহেল রানা বাধা দিতে এলে তাঁকে মারধর করা হয়।

একই রকম অভিযোগ করেন মনসুর নগরের প্রার্থী কামরুল হাসান। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের ভোটের অধিকার বন্ধ করে আওয়ামী লীগের একটি মহল বাণিজ্যে নেমেছে। তারা চায়, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হোক। উপজেলাজুড়ে এ প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করতে তারা এমন মরিয়া হয়ে বাধার সৃষ্টি করছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আলী আসলাম বলেন, তিনি কখনো নির্বাচনের বিষয়ে যুক্ত ছিলেন না। এখনো নেই। তবে একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব অভিযোগ করছে।

এদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান বলেন, ‘অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। কেউ যদি এমন বাধা অনুভব করেন, তাহলে আমাদের কাছে এলে আমরা ওই প্রার্থীর সঙ্গে গিয়ে ফরম তুলতে ও জমা দিতে সহায়তা করব।’

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, মনোনয়ন ফরম তুলতে বা জমা দিতে কোনো বাধা সৃষ্টির সুযোগ নেই। তবে অভিযোগের বিষয়ে খতিয়ে দেখা হবে।

পঞ্চম ধাপে আগামী ৫ জানুয়ারি কাজীপুর উপজেলার ১২টি ইউপিতে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। মনোনয়নপত্র জমার শেষ তারিখ ৯ ডিসেম্বর। ১১ ডিসেম্বর প্রার্থিতা যাচাই–বাছাইয়ের শেষ তারিখ। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৭ ডিসেম্বর। এরপর ১৯ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন