দগ্ধ রেজাউলকে প্রথমে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে। রেজাউল নেসকোতে টেকনিক্যাল স্টাফ হিসেবে কর্মরত আছেন। তাঁর বাড়ি রাজশাহী মহানগরেই।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিদ্যুৎকর্মী রেজাউল রাজশাহী নগরের শাহ মখদুম ঈদগাঁওয়ের পাশে ৩৩ কেভি লাইনে কাজ করছিলেন। হঠাৎ লাইনটিতে বিদ্যুৎ চলে আসে। সঙ্গে সঙ্গে রেজাউল সেখান থেকে ১১ কেভি লাইনে পড়েন। এরপর নিচে মামুন নামের একজন কর্মীর ওপর পড়ে যান। বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন দ্রুত তাঁকে পিকআপ ভ্যানে করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

নেসকোর একজন কর্মী প্রথম আলোকে বলেন, আজ বিকেলে সাড়ে ৫টার দিকে তাঁদের বিভাগীয় একজন চিকিৎসকসহ রেজাউলকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। সঙ্গে তাঁর পরিবারের একজন সদস্যেরও যাওয়ার কথা। ছয় থেকে সাত ঘণ্টা সময় লাগবে।
এ বিষয়ে নেসকোর প্রধান প্রকৌশলী অনিত রায় প্রথম আলোকে বলেন, এ ঘটনা তদন্তে একটি কমিটি করা হবে। কমিটিই দেখবে লাইন বন্ধ করা হয়েছিল, নাকি হঠাৎ চালু হয়ে গেছে। এটা কীভাবে হয়েছে, তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।