শফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘সাময়িক বরখাস্তের কারণে মানসিকভাবে কষ্টে ছিলাম। কাজে ফিরতে পেরে মনে অনেক শান্তি লাগছে। ট্রেনে ডিউটি শুরু করে আগের মতো আমি আমার দায়িত্ব পালন করতে চাই।’

এ বিষয়ে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের জ্যেষ্ঠ পরিদর্শক বরকতুল্লাহ আল-আমিন প্রথম আলোকে বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী টিটিই শফিকুল ইসলামকে যোগদানপত্র দেওয়া হয়েছে। তিনি কাজে যোগ দিয়েছেন। যেকোনো সময় তাঁকে ট্রেনে দায়িত্ব দেওয়া হবে।

গত বৃহস্পতিবার রাতে খুলনা থেকে ঢাকাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনে ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন স্টেশন থেকে বিনা টিকিটে তিন যাত্রী ঢাকায় যাচ্ছিলেন। তাঁরা ট্রেনের এসি কামরায় বসে ছিলেন। তাঁদের কাছে ভাড়া চাইলে টিটিইর সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে ওই তিন যাত্রী নিজেদের রেলমন্ত্রীর আত্মীয় বলে পরিচয় দেন। টিটিই শফিকুল ইসলাম তাঁদের কাছ থেকে ১ হাজার ৫০ টাকা ভাড়া নিয়ে এসি কামরা থেকে শোভন কামরায় পাঠান। এর কিছুক্ষণের মধ্যে মুঠোফোনে টিটিই শফিকুলকে সাময়িক বরখাস্তের বিষয়টি জানানো হয়।

বরখাস্তের কারণ হিসেবে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা (ডিসিও) নাসির উদ্দিন এক যাত্রীর হাতে লেখা একটি অভিযোগপত্র দিয়েছেন। ঘটনার দিন ইমরুল কায়েস নামের এক যাত্রী অভিযোগটি দেন। ওই দিনই টিটিই শফিকুল ইসলাম বরখাস্ত হন। তবে রোববার তাঁকে আবার কাজে বহাল করা হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন