default-image

রংপুরের তারাগঞ্জে কাজ দেওয়ার কথা বলে এক নারীকে (২৭) ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার চাঁদখানা ইউনিয়নের বগলাগাড়ী গ্রামের অধীর চন্দ্র (৪০) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে আজ শনিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।

ওই গৃহবধূ, পুলিশ ও এজাহার সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত অধীর চন্দ্র তারাগঞ্জ সদরের ভাই ভাই হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে কাজ করেন। তিনি উপজেলা সদরের সামনে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে একাই থাকতেন। ছয় মাস আগে অধীরের সঙ্গে পরিচয় হয় তারাগঞ্জের ওই নারীর। ওই নারী বিবাহিত হলেও তাঁর স্বামী তাঁকে ছেড়ে অন্যত্র থাকেন। একপর্যায়ে ওই নারীর সঙ্গে অধীরের সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। অধীর হোটেলে বুয়ার কাজ মিলিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

ওই নারী বিবাহিত হলেও তাঁর স্বামী তাঁকে ছেড়ে অন্যত্র থাকেন। একপর্যায়ে ওই নারীর সঙ্গে অধীরের সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। অধীর হোটেলে বুয়ার কাজ মিলিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
বিজ্ঞাপন

গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে জরুরি কথা আছে বলে ওই নারীকে তারাগঞ্জ উপজেলা সদরে ডেকে নেন অধীর। এরপর ওই নারীকে রংপুরের একটি হোটেলে কাজ দেবেন বলে নিয়ে যান। রাত সাড়ে ১০টার দিকে রংপুর থেকে ওই নারীকে নিয়ে অধীর তারাগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে ফিরে আসেন। সেখান থেকে ওই নারীকে অধীর তাঁর ভাড়া বাসায় নিয়ে যান। ওই বাসায় কেউ ছিল না। ওই নারীকে রাতের খাবার দিয়ে অধীর তাঁকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে রিকশা আনতে বাইরে যান। এক ঘণ্টা পর বাসায় ফিরে রাত ১২টার দিকে ওই নারীকে অধীর ধর্ষণ করেন। এ সময় ওই নারীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে অধীর পালিয়ে যান।

এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত ৮টার দিকে ওই নারী বাদী হয়ে অধীর চন্দ্রের বিরুদ্ধে তারাগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। রাত সাড়ে ১০টায় পুলিশ তারাগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে অধীরকে গ্রেপ্তার করে।

তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাইল হোসেন বলেন, ওই নারী থানায় আসার সঙ্গে সঙ্গে মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তার করে আজ আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মন্তব্য পড়ুন 0