বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত জুনে ওই তিন প্রকল্পের পুরো টাকাই উত্তোলন করেছেন প্রকল্প চেয়ারমান কামরুজ্জামান।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই ইউপি চেয়ারম্যানের দুজন প্রতিবেশী শ্রমিক জানান, দক্ষিণ বেতগাড়ী প্রামাণিকপাড়ায় কাবিটা প্রকল্পের আওতায় নেওয়া ওই রাস্তায় গত অর্থবছরে অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির (৪০ দিনের কর্মসূচি) শ্রমিকেরা কিছু মাটি ভরাট করেছেন। কাবিটার আওতায় কোনো মাটি কাটা হয়নি। স্থানীয় আরও অন্তত ১০ জন এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে আলদাদপুর খিলালগঞ্জ বাজারের সাতজন এবং বেতগাড়ী বালাপাড়া গ্রামের নয়জন বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, গত অর্থবছরে তাঁদের যাওয়া–আসার কাঁচা রাস্তায় কাবিটার অধীনে কোনো মাটি ভরাট করা হয়নি।

জানতে চাইলে প্রকল্প চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান আজ শুক্রবার মুঠোফোনে বলেন, তিনটি প্রকল্পের মধ্যে দুটিতে মাটি কাটা হয়েছে। অন্য প্রকল্পটি বর্ষার কারণে বাস্তবায়ন করা হয়নি। অচিরেই সেখানে কাজ শুরু করা হবে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মুনিমুল হক বলেন, ‘আমার পক্ষে সব প্রকল্প সরেজমিনে ঘুরে দেখা সম্ভব হয় না। যদি কাজ না হয়ে থাকে অবশ্যই প্রকল্প চেয়ারম্যানকে দিয়ে কাজ করে নেওয়া হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন