বিজ্ঞাপন

ধরমপাশা সদর ইউনিয়নে আবুল হোসেন শাহের মাজার উন্নয়নে ৫০ হাজার টাকা, সেলবরষ ইউনিয়নের প্রধান রাস্তা থেকে মাহবুবুল আলম বাচ্ছু মাস্টারের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তায় মাটি ভরাটে দুই লাখ টাকা, মোয়াজ্জেম হোসেন রতন টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের উন্নয়নে তিন লাখ টাকা, পাইকুরাটি ইউনিয়নের বাদশাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ মাঠে মাটি ভরাটের কাজে তিন লাখ টাকা, গাছতলা চকিয়াচাপুর রাস্তা থেকে আলী রাজের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা সংস্কারে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা, শহিদুর রহমানের বাড়িতে শৌচাগার নির্মাণে এক লাখ টাকা, সোহেলের বাড়িতে শৌচাগার নির্মাণে এক লাখ টাকা, চামরদানী ইউনিয়নের কাদিপুর গ্রামের আবদুল কাদেরের (শহীদ মিয়া) বাড়িতে শৌচাগার নির্মাণে ৫৬ হাজার ৫০০ টাকা, জয়নুদ্দিনের খেতের মাথা থেকে হরঞ্জন বাবুর খেতের মাথা পর্যন্ত গোপাট (গবাদিপশুর চারণভূমি) সংস্কারে ৫০ হাজার, বংশীকুণ্ডা উত্তর ইউনিয়নের রূপনগর শাহ জালাল ক্লাবের সাইটওয়াল নির্মাণ ও উন্নয়নে ৫০ হাজার টাকা, সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়নে সুখাইড় গ্রামে মইনুদ্দিনের বাড়িতে শৌচাগার নির্মাণে এক লাখ টাকা এবং আবদুর রশিদ মেমোরিয়াল উচ্চবিদ্যালয় উন্নয়নে ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এসব প্রকল্পের কাজ শুরুই হয়নি। কিন্তু বরাদ্দের টাকা আগেই তুলে নিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাদশাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজে মাটি ভরাটের প্রকল্প কমিটির সদস্যসচিবের দায়িত্বে আছেন কলেজের শিক্ষক হাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, প্রকল্পের কাজ চলমান। টাকা আত্মসাতের অভিযোগ সঠিক নয়। সেলবরষ ইউনিয়নের প্রধান রাস্তা থেকে মাহবুব আলম বাচ্ছু মাস্টারের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তায় মাটি ভরাটের প্রকল্প কমিটির সভাপতি মাহবুব আলম বলেন, বর্ষার পানি চলে আসায় পুরো কাজ সম্পন্ন করতে পারেনি। পরে এই কাজ করে নেওয়া হবে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রজেশ চন্দ্র দাস বলেন, যেসব প্রকল্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তিনি সেগুলোয় সরেজমিনে পরিদর্শন করবেন। এরপর অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন