default-image

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণের শেষ উপজেলা শ্যামনগর। প্রতিবছর আগস্টে শ্যামনগর একবার যেতেই হয়। এবার করোনার কারণে যাওয়াটা পিছিয়ে নভেম্বরে গিয়ে ঠেকে।

এই শ্যামনগরের গোপালপুরে মুক্তিযুদ্ধের সময় এক গৌরবময় খণ্ডযুদ্ধ হয়েছিল। ১৯৭১ সালের ২০ আগস্ট (বঙ্গাব্দ ১৩৭৮ সালের ৫ ভাদ্র) শুক্রবার ভোররাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখযুদ্ধ হয় মুক্তিযোদ্ধাদের। এতে শহীদ হন সুবেদার ইলিয়াস খানসহ বেশ কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা। যুদ্ধের পর ইলিয়াস খানের বাবা মোবারক আলী খান কুষ্টিয়া থেকে ছেলের খোঁজে শ্যামনগরে যান। সেখানেই শোকে তাঁর মৃত্যু হয়। পরে ছেলের কবরের পাশেই মোবারক আলী খানকে সমাহিত করা হয়।

বিজ্ঞাপন

শ্যামনগর উপজেলাটি ঘূর্ণিঝড় সিডরের পর থেকে সর্বশেষ আম্পান পর্যন্ত ছোট-বড় সব ঝড়, ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে দুমড়েমুচড়ে গেছে। ওলটপালট হয়ে গেছে এখানকার জনজীবন, জীবিকা আর উপার্জনের পথ। আম্পানে ভেঙে যাওয়া বাঁধ হয়তো আসন্ন শীতে মেরামত করা হবে। তবে অনেক জায়গায় কাজ চলার মতো করে যে মেরামত হয়েছিল, তা ভাদ্রের জোয়ারে নড়বড়ে হয়ে গেছে। কোথাও কোথাও ভেঙেও গেছে। যমুনা, রায়মঙ্গল, অর্পণগাছিয়া, মালঞ্চ, হাড়িয়াভাঙ্গা ও চুনার নদী এবং ভেট খাল—কোনোটার বাঁধই এখন সুরক্ষিত নয়। এর মধ্যে মানুষের জীবন-জীবিকায় মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা করোনা।

শুধু শ্যামনগর নয়, উত্তরের কালীগঞ্জ ও আশাশুনি উপজেলা এবং পূর্বে কয়রা, এমনকি সীমান্তের ওপারে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা—সব জনপদই আম্পান–পরবর্তী সংকটে রয়েছে। এ অঞ্চলের বাঙালি ছাড়াও মুণ্ডা, ভগবেনে, চণ্ডাল,

default-image

কৈবর্ত প্রভৃতি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষও জীবন-জীবিকার সংকটে ভুগছে।

শ্যামনগরের মোট আয়তন ১ হাজার ৯৬৮ বর্গকিলোমিটারের সামান্য বেশি। তবে উপজেলার বিশাল অংশজুড়ে সুন্দরবন। বনের অংশ বাদ দিলে শ্যামনগরের আয়তন ৮৮৩ বর্গকিলোমিটার। এখানকার বেশির ভাগ মানুষের জীবিকা ছিল সুন্দরবনকেন্দ্রিক। সেই সুন্দরবনে এখন তালাচাবি।

কাজ নেই

কাজ নেই। পানি নেই। ঘের নেই। ঘর নেই। বাঁধ নেই। সুন্দরবনও বন্ধ। কাঁকড়ার ব্যবসায় মন্দা। শুধু দুটি হাত নিয়ে কত দূর যাওয়া যায়? যুবক, কিশোর, শিশু—সবাই ছুটছে সরদারের সন্ধানে। এ সরদার ইটভাটার সরদার। ছয় মাসের জন্য মানুষের শ্রম কেনার সরদার। শ্রম বিক্রি করে ছয় মাসের জন্য অনেকটা ক্রীতদাস হয়ে যান মানুষ। সাধারণ সময়ে একজন দক্ষ শ্রমিককে সরদার ২ লাখ টাকার চুক্তিতে ৬৫ হাজার টাকা আগাম দিয়ে বাসে ওঠাতেন, এবার ছয় মাসের জন্য ৩৫ হাজার টাকাও সাধা হচ্ছে। বায়না কোথাও ৫ হাজার, কোথাও ৭ হাজার।

default-image

আটুলিয়া ইউনিয়নের আইয়ুব সর্দার জানালেন, ভাটার মালিক এবার অগ্রিম টাকা দেননি। তাঁদেরই ঝুঁকি নিয়ে শ্রমিক নিতে হচ্ছে। যদি করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে আবার ‘লকডাউন’ ঘোষণা করা হয়, তাহলে বিপদ তাঁদের। সেটিও মাথায় রাখতে হচ্ছে।

শ্যামনগর থেকে এখন বাস ভরে ইটভাটায় মানুষ পাঠাচ্ছেন সরদারেরা। তবে এবার মজুরি কম বলে বড়দের যেতে আগ্রহ কম। যাঁরা বাসে চড়ে বসছেন, তাঁদের বেশির ভাগ কম বয়সী। সরদারের ভাষায় ‘খুচরা সিকি-আদুলি কুড়িয়ে কাড়িয়ে যা পাচ্ছি, তাই নিয়ে যাচ্ছি।’

বিজ্ঞাপন

জাহিদুল আর ফিরবে না

শ্যামনগরের কাশিমারী ইউনিয়নের জয়নগর গ্রামের বাক্‌প্রতিবন্ধী হামজা আলীর ১০ বছর বয়সী ছেলে জাহিদুল খোঁজ পায় শ্রমিক সরদার রবিউল ইসলামের। করোনার কারণে স্কুল বন্ধ। পরিবারের আয়রোজগার নেই। নিজের ও পরিবারের ‘ইচ্ছায়’ ইটের ভাটায় গিয়েছিল জাহিদুল। সরদার রবিউল তাকে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া থানার রামনগর ইউনিয়নের এমএসডি নামের এক ইটভাটায় পাঠিয়ে দেয়। অবশ্য এক দিন পরেই সরদার জাহিদুলের পরিবারকে ফোনে জানান, সে (জাহিদুল) ফিরে যাবে। তবে অগ্রিম দেওয়া টাকা ফেরত দিতে হবে। পরদিন ভাটার ব্যবস্থাপক ফোন করে জানান, বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে জাহিদুল মারা গেছেন।

default-image

অবশ্য জাহিদুলের পরিবারের দাবি, কষ্টের কাজ করতে না পেরে বাড়ি ফিরতে চাওয়ায় তাকে নির্যাতন করা হয়েছে। এতে তার মৃত্যু হয়। সংবাদকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে (১৬ নভেম্বর) কাশিমারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুর রউফ বলেন, ‘শিশুটি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কুমিল্লার একটি ইটভাটায় মারা গেছে বলে জেনেছি। তার মৃতদেহ বাড়িতে আনা হচ্ছে। মৃতদেহ দেখলে বোঝা যাবে তার মৃত্যু কীভাবে হয়েছে।’ পুলিশ বলছে, ঘটনাটি কুমিল্লা জেলার। আইনগত ব্যবস্থা সেখানেই নিতে হবে।

বলা বাহুল্য, জাহিদুলের লাশ ছাড়া আর কিছুই মিলবে না বাবা হামজা আলী ও মা করিমুন্নেছার।

default-image

ভাটায় বেওয়ারিশ জীবন

দেশের নানা জায়গা থেকে ইটভাটায় বিক্রি হয়ে যাওয়া কম বয়সী বান্ধা শ্রমিকদের দুর্ঘটনায় হতাহতের খবর আসছে। গত ১১ নভেম্বর জয়পুরহাটে একটি ইটভাটার স্তূপ করা মাটির তলায় পড়ে বাঁধন পাহান (২০) নামের এক ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর তরুণের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়।

পাঠকের নিশ্চয়ই মনে আছে, গত বছর জানুয়ারিতে একসঙ্গে ১৩ জন ইটভাটাশ্রমিকের করুণ মৃত্যুর কথা। কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামে ওই ঘটনায় ঘুমিয়ে থাকা শ্রমিকদের ওপরে কয়লা বহনকারী একটি ট্রাক উল্টে পড়ে। কয়লা আনা হয়েছিল ওই ভাটারই ইট পোড়ানোর জন্য। ক্ষতিপূরণ দূরে থাক, ওই ঘটনায় মামলা কি হয়েছিল?

default-image

তবু কাজের অপেক্ষা

সবাই ইটভাটার কাজ পারে না। শরীরে কুলায় না। পেট ভরে খাওয়া আর বিশ্রামের সুযোগ দিলে তা–ও পারা যেত, সেসবের বালাই নেই। মাছের দেশের মানুষ হয়ে ইটভাটায় গিয়ে শুধু ডাল আর ভাত খেতে হয়। ছয় মাস একই খাবার।

শ্যামনগরের অনেকেই ইটভাটায় না গিয়ে দাঁত কামড়ে পড়ে রয়েছেন সুন্দরবনের আশায়। নৌকায় আলকাতরা দিয়ে আর জাল মেরামত করে দিন গুনছেন। ৩৫০ টাকার বিনিময়ে দুজন মানুষসহ একটি নৌকা ছয় দিনের জন্য বনে ঢুকতে দেওয়া হবে। আগে সাত দিনের জন্য যাওয়া যেত। কেন এক দিন কমানো হলো, কে জানে। লক্ষ্মীপূজার আগে আগে সুযোগটি দিলে গুনটা ধরা যেত বলেন জানালেন বুড়িগোয়ালিনীর আবু বকর আর বরুণ লালা। মাছ ও কাঁকড়া যে সময় বেশি ধরা পড়ে সেটাই তাঁদের কাছে গুন। মধু আহরণও চলে গুন ধরে।

বন বাবুরা গুন দেখে পাস ছাড়লে অসুবিধা কী? মাছ ধরে যদি পাসের পয়সাটাই না ওঠে? হাছান গাজী গানের সুরে সুরে বলেন, ‘মানুষ যেমন সুন্দরে বাঁচে সুন্দরও বাঁচে মানুষের পরশে’। বড়ই মারফতি কথা। অনুরোধে বয়াতি ভেদ ভাঙেন, তফসির বাতান। মধু নিতে যাঁরা বনে যান তাঁরা গাছ বাঁচান। পরগাছা বা গাছে বেয়ে ওঠা লতা ছিঁড়ে দিয়ে গাছকে নিশ্বাস নিতে দেয়। যে গাছে মানুষ চড়ে না সে গাছ বনলতায় ডুবে যায়। আবার গোলপাতার মতো গাছ না কাটলে বাড়ে না। বছরে একবার তার লোহা (দায়ের কোপ) লাগে। চাক না ভাঙলে নতুন নতুন রানি নিয়ে মধু মাছিরা নতুন চাক বাঁধে না। বন থেকে মানুষকে দূরে রাখার মতলব নিয়ে বড় সংশয় মারফতি ঘরানার এই বন বয়াতির। গলা ছেড়ে গেয়ে ওঠেন, ‘মানুষ বিনে বন বাঁচে না। বন বিনে মানুষ থাকে না।’

বিজ্ঞাপন
default-image

পানির কষ্ট বড় কষ্ট

মিষ্টি পানির আধার বলেই নদীকে ঘিরে, মিষ্টি জলের উৎসকে ঘিরে সভ্যতা গড়ে উঠেছে। যেখানে ঝরনা নেই, মিষ্টি পানির নদী-খাল-ছড়া নেই, সেখানে বৃষ্টির পানি মানববসতির রক্ষাকবচ হয়েছে। যুগ যুগ ধরে সুন্দরবন অঞ্চলের মানববসতি, পাখি আর প্রাণিকুল বৃষ্টির পানির ওপর নির্ভরশীল ছিল। পুকুর বা জলাধারে লোনাপানি ঢুকত না। অপরিকল্পিত চিংড়ি চাষ, উপকূল বাঁধের অব্যবস্থাপনা ও ঝড়-জলোচ্ছ্বাস দক্ষিণ অঞ্চলের জনপদগুলোকে লোনাপানির কবলে ফেলেছে। তার প্রত্যক্ষ চাপ গিয়ে পড়ছে নারী আর কিশোরীদের ওপর। তাদের মাইলের পর মাইল হেঁটে সুপেয় পানি সংগ্রহ করতে হয়। সে পানি শুধুই পানের জন্য। গোসল, রান্না ও ধোয়াধুয়ির কাজ চলে লবণপানিতেই।

আন্তর্জাতিক উদরাময় রোগ গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) উদ্যোগে গত বছর ‘ইএসপিএ ডেল্টাস’ নামের একটি গবেষণার ফলাফলে দেখা যায়, পানিবাহিত অসহনীয় মাত্রার লবণ থেকে মানুষের মধ্যে উচ্চ রক্তচাপের প্রকোপ বাড়ছে। এ ক্ষেত্রে পুরুষের চেয়ে নারীর ঝুঁকি ৩১ শতাংশ বেশি। গর্ভবতী নারীদের অকাল গর্ভপাত হওয়ার পেছনে অতিলবণাক্ততার প্রভাব থাকার যোগসূত্র মিলেছে।

গবেষণাটিতে বলা হয়, ওই এলাকায় টিউবওয়েলে সহনীয় মাত্রার দেড় গুণের বেশি লবণাক্ততা রয়েছে। আর ওই পানি পান করে এমন মানুষের ওপর পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ৩৫ বছরের বেশি বয়সী মানুষের মধ্যে উচ্চ রক্তচাপের উচ্চ ঝুঁকি রয়েছে।

ঘরে ঘরে ক্যানসার

৮-১০ জনের ছোট দলের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে স্বাস্থ্য প্রসঙ্গ, বিশেষ করে নারী ও প্রজনন স্বাস্থ্যের কথা উঠতেই বারবার ক্যানসার প্রসঙ্গ এসে যায়। কেন ক্যানসার এখানে এত পরিচিত শব্দ—এ কথা ওঠাতেই কৈখালীর গৃহবধূ হাজেরা খাতুন আঙুল দিয়ে পাশের বাড়ির ঘরের ছাউনি দেখান। প্রায় সব বাড়ির ছাউনি এখন অ্যাসবেস্টস শিটের। বছরজুড়ে ব্যবহারের জন্য এই ছাউনি গড়ানো বৃষ্টির পানি ড্রাম, মটকা অথবা ট্যাংকে ধরে রাখা হয়। গোলপাতা নেই, টিন টেকে না, তাই এ অঞ্চলে বাড়িঘরের ছাউনিতে অ্যাসবেস্টসের ব্যবহার বাড়ছে। যদিও স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণে অ্যাসবেস্টস নামের আঁশযুক্ত খনিজ পদার্থটি ২০০৫ সাল থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নে নিষিদ্ধ। এর আঁশের দীর্ঘায়িত শ্বসন ফুসফুসের ক্যানসারসহ বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি করতে পারে।

২০১৯ সালে সাংবাদিক জেসমিন পাপড়ি শ্যামনগরের বিভিন্ন অঞ্চল ঘুরে জরায়ুসংক্রান্ত রোগে ভুগছেন, এমন অন্তত ৬০ জন নারীর সঙ্গে কথা বলেন। তাঁদের ২৫ জন তত দিনে অপারেশন করে জরায়ু ফেলে দিতে বাধ্য হয়েছেন। বাকিরা বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছিলেন। কেউ কেউ জরায়ু ফেলে দেওয়ার প্রক্রিয়ায় ছিলেন। জেসমিন পাপড়ি তখন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে জেনেছিলেন, মাসিকের সময় লবণাক্ত পানিতে ভিজলে বা একই পানিতে ধোয়া কাপড় ব্যবহারের ফলে শ্বেতপ্রদাহ থেকে শুরু হতে পারে এসব জটিলতার। দীর্ঘদিন ধরে জরায়ু সমস্যায় ভুগতে থাকলে তা ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়।

শ্যামনগর ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালের চিকিৎসক জেসমিনকে বলেন, হাসপাতালে তিনি মাসে গড়ে প্রায় ৯০০ রোগী দেখেন। তাঁদের মধ্যে ১০-১২ জন রোগী পান, যাঁদের জরায়ু ফেলে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া জরায়ুসংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে আসা রোগীর সংখ্যাও তুলনামূলক বেশি।

এসব নিয়ে যখন কথা হচ্ছিল, যখন জাহিদুলের লাশ শ্যামনগর থেকে অনেক দূরে, তখন স্থানীয় এক সাংবাদিক বন্ধু মুঠোফোনে জানান, শ্যামনগরের কৈখালীতে পরিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন এলাকা থেকে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়নের গোলাখালী ভাঙনকবলিত এলাকা থেকে বালু উত্তোলন করে এক সরকারি স্থাপনার জায়গা ভরাট করা হচ্ছে। এ বিষয়ে উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা তাঁকে বলেছেন, কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়েই তিনি কাজটি করছেন।

সাংবাদিকের অনুরোধ, আমি যেন একবার গিয়ে সেটা দেখে আসি। যাওয়া অবশ্য হয় না। মুক্তিযোদ্ধা সুবেদার ইলিয়াস খানদের মাজার জিয়ারত তখনো বাকি। তাঁদের কাছেই না হয় শিকায়েত পেশ করব। মনে মনে বলি, ‘সর্বাঙ্গে ব্যথা ঔষধ দেব কোথা।’


লেখক গবেষক, nayeem5508@gmail.com

মন্তব্য পড়ুন 0