বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ওই সড়কে গিয়ে দেখা যায়, ২২ কিলোমিটার সড়কে বিছানো খোয়া উঠে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। দু-চারটি মোটরসাইকেল ও ট্রাক্টর ছাড়া অন্য কোনো যানবাহন সড়কে চলাচল করতে দেখা যায়নি। এসব যান চলার সময় ধুলা উড়ছিল। সড়কটি দিয়ে চলাচলকারী সিম্বা গ্রামের সাগর হোসেন বলেন, প্রায় চার বছর ধরে দুর্ভোগের মধ্যে আছেন তাঁরা।

নওগাঁ সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সড়কটি আগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের (এলজিইডি) আওতায় ছিল। পরে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগে স্থানান্তর করা হয়। ২০১৮ সালে ২২ কিলোমিটার সড়কটির নির্মাণকাজের জন্য সওজ দরপত্র আহ্বান করে। কাজের দায়িত্ব পায় জেবি কনস্ট্রাকশন নামের এক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

সড়কটি রানীনগর-আবাদপাকুর থেকে কালীগঞ্জ হয়ে নাটোরের সিংড়ায় ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের সঙ্গে মিলিত হয়েছে। ২৬টি কালভার্ট ও চারটি সেতু পুনরায় নির্মাণসহ সড়কের নির্মাণকাজ শুরু করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কার্পেট তুলে কোনোরকমে রোলার দিয়ে ফেলে রাখে দীর্ঘদিন। একপর্যায়ে লোকসানের অজুহাত দেখিয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ হঠাৎ বন্ধ করে দেয়।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জেবি কনস্ট্রাকশনের পক্ষে ওয়াসিল আসলাম নামের একজন বলেন, তিনি বর্তমানে এই প্রকল্পের দেখাশোনা করছেন না। তাই এ বিষয়ে কোনো তথ্য দিতে পারবেন না।

প্রায় চার বছর পর চলতি বছরের মে মাসে সওজ ঠিকাদারের কার্যাদেশ বাতিল করে নতুন করে দরপত্র আহ্বান করে। একই সঙ্গে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে চার কোটি টাকা জরিমানা করা হয়। পরে ঠিকাদার নতুন দরপত্র আহ্বানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতে মামলা করেন।

নওগাঁ সওজ এর নির্বাহী প্রকৌশলী সাজেদুর রহমান বলেন, গত ২৯ নভেম্বর আদালত সওজের পক্ষে রায় দিয়েছেন। নতুন ঠিকাদার নিয়োগের মাধ্যমে দ্রুতই সড়কের কাজ শুরু হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন