বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কাজ শেষ হয়নি। নতুন ভবনের মেঝে, বারান্দার রেলিং, দরজার ফ্রেমের কাজ করা হয়েছে। কিন্তু নির্মাণের উপকরণ প্রয়োজনীয় অনুপাতে না দেওয়ায় এসব নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বারান্দার রেলিংগুলোতে প্রয়োজনীয় রড না দেওয়ার কারণে সেসব ভেঙে পড়েছে। সিমেন্টের পরিমাণ কম দেওয়ায় পলেস্তারা খসে পড়ছে।

শিক্ষকেরা বলেন, ভবনের বারান্দার রেলিংগুলোতে চারটি রডের বদলে দুটি করে রড ব্যবহার করেছেন ঠিকাদার। তা ছাড়া সিমেন্টও প্রয়োজন অনুপাতে কম দেওয়া হয়েছে। ফলে ফাটল দেখা দিয়েছে, পলেস্তারা খসে পড়ছে। প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ এমরান হোসেন বলেন, দেড় বছরের কাজ তিন বছরে গড়িয়েছে। একাধিকবার তাগাদা দিলেও কাজ শেষ করতে টালবাহানা করেছেন ঠিকাদার।

ঠিকাদার মোর্শেদুল ইসলাম বলেন, কাজে কোনো অনিয়ম হয়নি। তবে করোনার কারণে কাজ শেষ করতে সময় লেগেছে। নির্মাণকাজের প্রায় ৮০ শতাংশ শেষ হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামত করে দেওয়া হবে।

জেলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. কামরুল আহসান বলেন, নির্ধারিত সময়ের পর এক বছর পেরিয়ে গেলেও নির্মাণকাজ শেষ হয়নি। এ বিষয়ে কথা বলতে ঠিকাদার ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ডাকা হয়েছে।

উপজেলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. শাহনেওয়াজ বলেন, বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণে নিম্নমানের কাজ হয়েছে। গতকাল সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। বিদ্যালয়ের নিচতলা থেকে চারতলা পর্যন্ত ২৪টি ব্লক আকারের রেলিং রয়েছে। ঠিকাদারকে সেগুলো ভাঙার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নতুন করে রেলিং নির্মাণ করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন