বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে আব্বাস আলী কারাগারে রয়েছেন। ১০ ডিসেম্বর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় আব্বাসকে সাময়িক বরখাস্ত করে। জেলা আওয়ামী লীগও ইতিমধ্যে তাঁকে অব্যাহতি দিয়ে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কাছে চূড়ান্ত বহিষ্কারের জন্য সুপারিশ করেছে।

কাটাখালী থানা-পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে করা দুই মামলার মধ্যে পবা উপজেলার হরিয়ান ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল কুদ্দুস বাদী হয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদাবাজির একটি মামলা করেন। আর কাটাখালী পৌর যুবলীগের আহ্বায়ক জনি ইসলাম ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে অপর মামলাটি করেন।

যুবলীগ নেতার মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ২৪ নভেম্বর আব্বাসের ভাইরাল হওয়া ১২ মিনিটের অডিওতে তিনি জাতীয় চার নেতার অন্যতম এ এইচ এম কামারুজ্জামান এবং সিটি করপোরেশনের বর্তমান মেয়র খায়রুজ্জামান লিটনসহ তাঁর পরিবারকে নিয়ে কটূক্তি, অসম্মানজনক ও মানহানিকর বক্তব্য দেন। এতে খায়রুজ্জামান লিটনের পরিবারের সম্মানহানি হয়েছে।

আবদুল কুদ্দুস চাঁদাবাজির মামলার এজাহারে অভিযোগ করে বলেন, ২০১৯ সালের মার্চে কাটাখালী অটোস্ট্যান্ড–সংলগ্ন এলাকায় মেয়র আব্বাসের বাসভবনের কাছে নিজ জায়গায় একটি মার্কেট নির্মাণ শুরু করেন তিনি। নির্মাণকাজ শুরুর পরপরই আব্বাস তাঁর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দেওয়ায় আব্বাসের সশস্ত্র ক্যাডাররা তাঁর নির্মাণসামগ্রী ভাঙচুর করেন। এরপর তিনি আর মার্কেট নির্মাণ করতে পারেননি। এরপরও আব্বাস চাঁদা পরিশোধের দাবি জানিয়ে হুমকি দিচ্ছিলেন। নিজ জায়গায় মার্কেট নির্মাণ করতে না পারায় তিনি আর্থিক ক্ষতিতে পড়েন।

কাটাখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ এস এম সিদ্দিকুর রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে ওই দুটি মামলা হয়েছে। এ ব্যাপারে তাঁরা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন