বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নবাগতদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘৪০ সপ্তাহের কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের গর্বিত সৈনিক হয়েছেন। এখন দেশের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারের জন্য সদা প্রস্তুত থাকতে হবে। এই ৪০ সপ্তাহের প্রশিক্ষণ সৈনিকজীবনের শুরুমাত্র।’ পরবর্তী সময়ে নানাবিধ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জনের পরামর্শ দেন তিনি।

সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানের প্যারেড কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন মেজর মো. নাহিদ হোসেন। মনোমুগ্ধকর ব্যান্ডের তালে তালে প্রধান অতিথিকে সালাম দেওয়ার মাধ্যমে সুশৃঙ্খল প্যারেডের সমাপ্তি ঘটে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মুনিরুজ্জামান ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাসুদুর রহমান খান।

অনুষ্ঠানে সামরিক বিষয়ে সেরা রিক্রুট মোহসিন আলী, শ্রেষ্ঠ ড্রিল আবদুল রাব্বী, শারীরিক প্রশিক্ষণ জুনায়েদ মিয়া, ফায়ারিংয়ে খালিদ হাসান ও সার্বিক পদে সেরা যথাক্রমে রিফাদ হোসেন, মাহবুব ইসলাম সবুজ ও আবদুল হাদি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন