বিজ্ঞাপন

আহত ব্যক্তিরা হলেন পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের নুর মোহাম্মদ রাজীব (৩০), আরিফুর রহমান রাহীম (২৮), পৌরসভা ৯ নম্বর ওয়ার্ডের করিম উদ্দিন শাকিল (২৩), কোরবান আলী রাকীব (২৪) ও রাজীব আহমেদ রিয়াদ (২৪)। তাঁরা সবাই কাদের মির্জার প্রতিপক্ষ মিজানুর রহমান বাদলের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

মিজানুর রহমানের অনুসারী শাকিল অভিযোগ করে বলেন, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে করালিয়ার তিন রাস্তার মোড়ের পাশে বসে তাঁরা ১০-১২জন কথা বলছিলেন। এ সময় মির্জা কাদেরের অনুসারী রাসেল ও মাসুদের নেতৃত্বে ১০-১৫ জনের একটি দল ওই এলাকায় আসে। তাঁদের (শাকিলদের) লক্ষ্য করে তিনটি গুলি ছোড়েন ওই ব্যক্তিরা। তবে কারও গায়ে গুলি লাগেনি। এ ছাড়া ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন হামলাকারীরা। গুলির শব্দ শুনে পালাতে গিয়ে তাঁদের পক্ষের পাঁচজন আহত হন। তাঁরা স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

হামলার অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার ফোন দিলেও সেটি বারবারই ব্যস্ত পাওয়া যায়।

কোম্পানীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ প্রথম আলোকে বলেন, আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মারামারির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। সেখান থেকে একটি গুলির ব্যবহৃত কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে হামলাকারীদের কাউকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন