default-image

আওয়ামী লীগ নেতার ওপর হামলার ঘটনায় নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জাসহ ৯৭ জনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের তদন্তের আদেশ দিয়েছেন আদালত। আদালতের আদেশে আগামী ১০ দিনের মধ্যে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।

মামলার আবেদনের ওপর শুনানি শেষে আজ মঙ্গলবার দুপুরে নোয়াখালীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সোয়েব উদ্দিন খান এই আদেশ দেন। কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) এ আদেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। হামলার শিকার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খিজির হায়াত খানের স্ত্রী আরজুমান পারভীন আদালতে ওই মামলার আবেদন করেন।

বাদীর আবেদনে হামলার ঘটনায় আবদুল কাদের মির্জা ছাড়াও তাঁর ছোট ভাই শাহাদাৎ হোসেন ও কাদের মির্জার ছেলে মির্জা মাশরুর কাদের তাসিক ওরফে তাসিক মির্জাকে আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া আসামি দেখানো হয়েছে অজ্ঞাতনামা আরও ১০০-১৫০ জনকে।

এর আগে গতকাল সোমবার নোয়াখালীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ৪ নম্বর আমলি আদালতে একই বাদীর পক্ষে মামলার আবেদন করা হয়েছিল। বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এস এম মোসলেহ উদ্দিন অভিযোগটি আমলে নেওয়ার এখতিয়ার নেই উল্লেখ করে আবেদন ফেরত দেন এবং বাদীকে দ্রুত বিচার আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

বিজ্ঞাপন

বাদীপক্ষের আইনজীবী হারুনুর রশীদ হাওলাদার প্রথম আলোকে বলেন, আজ সকাল নয়টার দিকে তিনি নোয়াখালীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলার আবেদনটি জমা দেন। এরপর দুপুরে আদালতে আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে বিচারক বাদীর অভিযোগ ১০ দিনের মধ্যে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।

৮ মার্চ কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাটে জিরো পয়েন্টে এলাকায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খানের ওপর কাদের মির্জার নেতৃত্বে তাঁর অনুসারীরা হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ওই হামলায় আহত খিজির হায়াত খান বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

হামলার ঘটনায় খিজির হায়াত খানের স্ত্রী আরজুমান পারভীন কোম্পানীগঞ্জ থানায় একাধিকবার মামলা করতে গেলেও এজাহারে কাদের মির্জার নাম থাকায় মামলা নেয়নি বলে অভিযোগ করেছেন আরজুমান পারভীন। পরে তিনি বাধ্য হয়ে আদালতে মামলা করতে আসেন বলে উল্লেখ করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন